বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও চাপ বাড়ানোর আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির প্রতিনিধিরা মিয়ানমারের ওপর মার্কিন সহায়তা বন্ধ ও নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেশটির সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন ।

তারা বলেছেন, রোহিঙ্গা নিধন অপরাধে জড়িতদের অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে। খবর রয়টার্সের

এদিকে রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ক এ শুনানিতে রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন অভিযানের কারণে স্থানীয়ভাবে অস্থিতিশীলতা তৈরি ও একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ উত্থানের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা এপি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর হামলা বন্ধ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির এক শুনানিতে দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের ভারপ্রাপ্ত উপমন্ত্রী প্যাট্রিক মার্ফি বলেন, ‘আমরা এমন কিছু করতে চাই না যাতে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা বেড়ে যায়। আমরা পরিস্থিতি জটিল করতে চাই না।’

কমিটির ডেমোক্রেটদের শীর্ষনেতা এলিয়ট অ্যাঞ্জেল বলেন, ‘ওয়াশিংটনের উচিত মিয়ানমারের সরকার ও সেনাবাহিনীর উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা।’ এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযানের মুখে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এই নিপীড়নকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে মিয়ানমার এই দাবি অস্বীকার করে বলেছে, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে তারা। এই সহিংসতা শুরু হওয়ার পর প্যাট্রিক মার্ফি মিয়ানমার সফর করেছেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ