বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান ও মাদরাসাপড়ুয়াদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা হজযাত্রীদের জন্য নতুন ছাতার নকশা আহ্বান সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের

উখিয়া ও টেকনাফে ইসলামী ঐক্যজোটের ত্রাণ বিতরণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মায়ানমারের যৌথবাহিনী ও বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের নির্মম নির্যাতনের হাত থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা এবং বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী অসহায় মজলুম রোহিঙ্গা মুসলমানদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে ইসলামী ঐক্যজোট।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসব ত্রাণ বিতরণ করেন  ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস চেয়ারম্যান আল্লামা ইসহাক নূর ও মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সারাদিন বান্দরবন নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ও কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত মজলুম ও অসহায় রোহিঙ্গাদের মাঝে শুকনা খাবার, ঔষধ সামগ্রী, ঘর তৈরির সরাঞ্জাম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহ নগদ টাকা বিতরণ করেন।

মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গাদের সমস্যা ও দুর্দশা নিয়ে যাই বলি না কেন, তাদের প্রকৃত দুঃখের কথা মুখের ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কত অসহায়ভাবে দিনাতিপাত করছে তারা, তা সেখানে তাদের অবস্থা দেখে কিছুটা অনুধাবন করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত, লজ্জিত ও ব্যথিত। আমরা এখনো আমাদের নির্যাতিত মা বোনদের রক্ষায় কার্যকর কোন ভূমিকা রাখতে পারিনি। জাতিসংঘ গঠিত হয়েছে মানুষের নিরাপত্তা বিধানের জন্য। মানবজাতির স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য। আজ জাতিসংঘের চোখ বন্ধ কেন? কেন আজ তাদের এরকম নীরবতা? বিশ্বমানবতা আজ কোথায়?

তিনি বলেন, এদেশের ওলামায়ে কেরাম ও তাওহীদি জনতা এরকম নৃশংসতা ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্ব ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছে। তাই সরকারকে বলবো, রোহিঙ্গা মুসলমানদের এমন জুলুম ও অসহায়ত্ব বাংলাদেশ সরকার নীরবে দেখে থাকতে পারে না। মনে রাখতে হবে আমরাও তো একদিন শরণার্থী হয়ে ভারতের আশপাশের রাজ্যে এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিলাম।

তিনি নির্যাতিত অসহায় রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও আশ্রয় দিয়ে সাহায্য সহযোগিতা করতে দেশের সামর্থ্যবান মানুষের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে মুহিব খানের খোলা চিঠি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ