শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ পড়ে বাইসাইকেল পেল ৯ শিক্ষার্থী ‘চলমান সংঘাতে ইরান জাতির শক্তির উপলব্ধি করছে বিশ্ব’ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের হাম ও উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু ‘মুল্লো নামাজ পড়না ভুল যাওগে’ বলে ভারতের মুসলিমদের হুমকি ‘মাদরাসাগুলো আমাদের পরিচয়, কখনো এই পরিচয় মুছে যেতে দেব না’ আল-আকসায় ইসরায়েলিদের অনুপ্রবেশে আরব আমিরাতের নিন্দা কুড়িগ্রামে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে ৯৫ দোকান, ১৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি খলিলুর রহমানের বিজয়, শঙ্কা ও প্রত্যাশার কথা জানালেন জমিয়ত সভাপতি দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল পদ্মায়

১৪ জেএমবি সদস্যের ২০ বছর কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : আলোচিত দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ঘটনাই ১৪ জেএমবি সদস্যকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

২০০৫ সালে সংঘটিত এ সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় টাঙ্গাইলে দায়ের করা মামলায় এ রায় দেয়া হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের ২নং বিশেষ ট্রাইবুনাল জজ আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিঞা ওই আদেশ দেন।

জরিমানার দশ হাজার টাকা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, দণ্ডিতদের মধ্যে রয়েছেন- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার টেকপাড়া গ্রামের দীন মোহাম্মদের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার মাদারকোল গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে ইয়ামিন মিয়া, সবুর মাস্টারের ছেলে মিজান, রাজ্জাক মুন্সির ছেলে আব্দুল আহাদ, মোংলা মিয়ার ছেলে হাবিল, মধু মিয়ার ছেলে রোস্তম, আব্দুলাহেল বাকির ছেলে তারিকুল, কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামের আখম আজাদের ছেলে আরমান বিন আজাদ, মৃত নুরুজ্জামানের ছেলে আব্দুলাহ আল মামুন ওরফে সোহেব ও রাসেল, বাসাইল উপজেলার হাবলা দক্ষিনপাড়া গ্রামের শাজাহান মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান, গোপালপুর উপজেলার পলসিয়া গ্রামের সুলতান হোসেনের ছেলে জিয়াউর রহমান ওরফে তানভীর, বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলার তোরাব বেফা গ্রামের মোতাহার আলীর ছেলে শহীদুল ইসলাম, ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার শরিফবাগ গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে আব্দুল্লা আল তাসনিম।

মামলায় শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাইসহ ১৭ জনকে আসামি করে চার্জশিট জমা দেয়া হয়েছিল।

এদের মধ্যে অন্য মামলায় শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাইয়ের ফাঁসি হয় এবং হাবিল নামের অপর এক আসামি কারাগারে মারা যান।

এছাড়া দণ্ডিতদের মধ্যে আরমান বিন আজাদ, রাসেল, তারিকুল এবং আব্দুল্লাহ আল তাসনিম পলাতক রয়েছেন। বাকি ১০ আসামি রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতে সরকার পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম খান। পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন, শামীম চৌধুরি।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ