বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর মুআসসাসা ইলমিয়্যাহ বাংলাদেশের উদ্যোগে বিশেষ ইলমি সেমিনার অনুষ্ঠিত ছত্রিশে লেখা নাম  নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৫ জুলাই বিজয়ে কওমী ক্যানভাস: এক নজরে আলেম সমাজের অবদান মারকাযুল ফাতাওয়ায় চলছে প্রাচীন আরবি পাণ্ডুলিপি গবেষণার বিশেষ কর্মশালা আমদানির অনুমতি ২ লাখ ১৮ হাজার টন, কাঁচামরিচ এল ২৬ টন   শিক্ষা সহায়তায় মহারাষ্ট্র জমিয়তের বড় উদ্যোগ, বৃত্তি পাচ্ছে অমুসলিমরাও গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ব্রাডফোর্ডে বিকেএমের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আস-সুন্নাহ কেন ব্যক্তিগত সহায়তা করে না, ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা’র ৮৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী আজ।

১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে খুনচক্রের নিষ্ঠুর, বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে তিনিও শাহাদাৎবরণ করেন। মহীয়সী এই নারী, বাঙালীর সকল লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণাদাত্রী হিসেবে কাজ করেছেন।

বঙ্গবন্ধু বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মাত্র ৩ বছর বয়সে পিতা ও ৫ বছর বয়সে মাতাকে হারান। তার ডাক নাম ছিল ‘রেণু’। পিতার নাম শেখ জহুরুল হক ও মাতার নাম হোসনে আরা বেগম। দাদা শেখ কাসেম চাচাতো ভাই শেখ লুৎফর রহমানের পুত্র শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেগম ফজিলাতুন্নেছার বিবাহ দেন। তখন থেকে বেগম ফজিলাতুন্নেছাকে শাশুড়ি বঙ্গবন্ধুর মাতা সাহেরা খাতুন নিজের সন্তানদের সঙ্গে মাতৃস্নেহে লালন-পালন করেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। অতঃপর সামাজিক রীতিনীতি অনুযায়ী গ্রামে গৃহশিক্ষকের কাছে লেখাপড়া করেন।

মনেপ্রাণে তিনি একজন আদর্শ বাঙালী নারী ছিলেন। অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তা, অসীম ধৈর্য ও সাহস নিয়ে জীবনে যে কোন পরিস্থিতি দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবিলা করতেন। স্বামীর রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বান্তকরণে সহযোগিতা করেছেন।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, কারাগারে আটক নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেয়া ও পরিবার-পরিজনের যে কোন সঙ্কটে পাশে দাঁড়াতেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অফুরান প্রেরণার উৎস হয়েছিলেন বেগম মুজিব।

বাঙালী জাতির মুক্তি সনদ ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারে বারে পাকিস্তানী শাসকদের হাতে বন্দী জীবন-যাপন করছিলেন, তখন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা তার কাছে ছুটে আসতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা পৌঁছে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাতেন।

আগরতলা যড়যন্ত্র মামলায় প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ