বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ লেবাননে ফের হামলা ইসরায়েলের যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে শত্রুরা অভ্যন্তরীণ বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে: মোজতবা খামেনি ঈদে সারাদেশের পশু কোরবানির সংখ্যা জানালেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কোরবানির পর অবিক্রিত প্রায় ৩০ লাখ পশু সীমান্তে বিএসএফের অবৈধভাবে ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই খুলে দেওয়া হবে হরমুজ: ট্রাম্প রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় রোববার তীব্র গরমের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা

'মুসলমানদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে সামলানো মুশকিল হবে'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতে বিজেপিশাসিত মহারাষ্ট্রের সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক আবু আসিম আজমি বলেছেন, যদি গো-রক্ষার নামে মুসলমানদের সাথে সহিংসতা বন্ধ না হয় তাহলে তারাও অস্ত্র তুলে নিলে দেশ সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।

সোমবার হিন্দি গণমাধ্যম ‘জনসত্তা’য় প্রকাশ, গত কয়েকদিন আগে গরুর গোশত রাখার সন্দেহে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে এক মুসলিম যুবককে পেটানোর ঘটনায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি ওই মন্তব্য করেন।

আবু আজমি বলেন, দেশের যেখানে যেখানে বিজেপি সরকার রয়েছে সেসব জায়গায় এ ধরণের ঘটনা ঘটছে।

তথাকথিত গো-রক্ষকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যদি এরা এতই ‘বীর’ হয়ে থাকে তাহলে কেন অমরনাথে গিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়ছে না?

সম্প্রতি অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের উপরে সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে আট তীর্থযাত্রী নিহত হয়েছেন।

গরু রক্ষার নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুসলিমদের ওপর যে হামলা হচ্ছে সে প্রসঙ্গে আবু আজমি বলেন, এখনকার পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে গরুর জীবনের মূল্য মানুষের তুলনায় মূল্যবান হয়ে গেছে!

তিনি বলেন, যেভাবে জুনাঈদকে হত্যা করার সময় গোটা ট্রেনের মানুষজন হত্যাকারীদের সঙ্গ দিয়েছে তা দেখে মুসলিমরা ট্রেনে সফর করতে ভয় পাচ্ছেন।

কিছুদিন আগে বিজেপিশাসিত হরিয়ানার বাসিন্দা হাফেজ জুনাঈদ খান (১৬) ঈদের বাজার নিয়ে ট্রেনে করে ফেরার সময় উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের গণপিটুনি ও ছুরিকাঘাতে মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। তার অন্য ভাইরাও ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন। ট্রেনের মধ্যে ওই হামলাকারীরা তাদের দাড়ি-টুপি নিয়ে কটুক্তিসহ দেশদ্রোহী, গরুখোর ইত্যাদি আখ্যা দিয়ে মারধর করলে তারা বাঁচার জন্য চিৎকার করে। কিন্তু সাহায্যের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি। পুলিশকে ফোন করেও কোনো সাহায্য পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ।

হিন্দি গণমাধ্যম ‘আজতক’-এ দেয়া সাক্ষাৎকারে আবু আজমি বলেন, প্রত্যেক ক্রিয়ারই বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে, কাল যদি তাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় এবং এসকল মানুষ হাতে অস্ত্র তুলে নেয় তাহলে সেদিন দেশ সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, এক গোরক্ষককে একা পেয়ে কিছু মুসলিম খুব পিটুনি দিয়েছে। আগামীদিনে এ ধরণের ঘটনা গোটা দেশে হতে পারে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

‘বাবুনগরীকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদ বিভ্রান্তিকর ও উস্কানীমূলক’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ