শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ

যে ভবন নির্মিত মানুষের মাথার খুলি দিয়ে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এই পৃথিবীতে বিস্ময়কর কতো কিছুইনা ঘটে। কিছু বিস্ময়কর ঘটা আছে প্রাকৃতিকভাবেই হয় আবার কিছু আছে মানুষের দ্বারা সংগঠিত হয়। এর মধ্যে কিছু বিস্ময়কর ঘটনা আছে খুবই নির্মম।

এমনই একটি ঘটনা হলো মানুষের মাথার খুলি দিয়ে ভবন নির্মাণ। ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোতে আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচশত বছর আগে।

সম্প্রতি মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটির একটি এলাকায় প্রত্নতত্ত্ববিদেরা এমনই একটি উঁচু ভবনের সন্ধান পেয়েছেন যেটি মানুষের মাথার খুলি দিয়ে নির্মিত। ভবনটি ছিল একটি মন্দির।

বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন এটি প্রাচীণ আজটেক সাম্রাজ্যের নরবলী সংস্কৃতির অংশ। আজটেক সভ্যতার লোকেরা ধর্মীয় সংস্কৃতির অংশ হিসেবে নরবলী দিত এবং নরবলী দেয়ার পর মৃত দেহের খুলি দিয়ে এই মন্দির ভবন নির্মাণ করে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে প্রত্নতত্ত্ববিদেরা ওই ভবনটিতে অন্তত সাড়ে ছয়শো মাথার খুলির সন্ধান পেয়েছেন। ভবনের ওপরের দিকে বসানো খুলিগুলো নারী ও শিশুদের। ধারণা করা হচ্ছে খনন যত এগুবে খুলির সংখ্যা আরো বাড়বে।

দলের জৈব নৃবিজ্ঞানী রদ্রিগো বোলানোস বলছেন "মাথার খুলি দেখে প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম কোনো তরুণ যোদ্ধার দেহাবশেষ হবে হয়তো। কিন্তু পরবর্তীতে যখন আমরা নারী ও শিশুদের মাথার খুলি পাই তখন বুঝলাম এরা যুদ্ধে যেতে পারে না। এটা সম্পূর্ণ নতুন। আমাদের কাছে এর কোনো রেকর্ডও নেই"।

কিন্তু সেখানে নারী ও শিশুর অনেক খুলি দেখে মানুষকে বলি দেয়া বা উৎসর্গ করার সংস্কৃতির ইঙ্গিত মেলে। আজটেক ও অন্যান্য মেসোআমেরিকান সংস্কৃতির মধ্যে সূর্যের উদ্দেশ্যে নরবলি দেয়ার রীতি ছিল।

নৃবিজ্ঞানী রাউল বারেরা বলছেন, খুলিগুলো ভবনে বসানোর আগে সেগুলো দেখার জন্য হয়তো জনসম্মুখে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৫ সালে প্রত্নগবেষকেরা মেক্সিকো সিটির পুরনো অংশে যে খননকাজ শুরু করেছিলেন তা এখনো শেষ হয়নি। তথ্যসুত্র বিবিসি বাংলা।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ