শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা

মৃত রোগী! হেঁটে গেলেন বাড়িতে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেশ কয়েক দিন ধরে হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার বাসিন্দা জয়নারায়ণ পান্ডে।

শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে রেখেই বাড়িতে গিয়েছিলেন স্বজনরা। বুধবার সকালে হঠাৎ হাসপাতাল থেকে ফোন আসে। বলা হয় জয়নারায়ণ পান্ডে মারা গেছে।

মৃত্যুসংবাদ পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে এসেছিলেন আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা। মৃতদেহ হস্তান্তরের আগে হাসপাতাল থেকে মৃত্যুসনদও দেওয়া হয়।

ফুল-মালা আর শববাহী গাড়ি নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে গেলেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। কিন্তু হঠাৎ হাসপাতালের করিডোরে তাকিয়ে সবার চোখ কপালে। সেখানে দিব্যি হেঁটে বেড়াচ্ছেন ওই ষাটোর্ধ্ব জয়নারায়ণ।

[কী লিখেছে হিন্দু মাদরাসা ছাত্রী যা নিয়ে ভারতে তোলপাড়]

মুহূর্তে সবার মাঝে খুশির রেশ ছড়িয়ে পড়লেও পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এহেন ভুলে সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।সে সময় হাসপাতাল থেকে দেয়া মৃত্যুসনদ ছিঁড়ে ফেলে দেন হাসপাতাল কর্মীরা।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জিনিউজকে জানায়, হাঁপানি এবং যক্ষ্মা রোগ নিয়ে জয়নারায়ণ গত ১৬ মে হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের ৭২ নম্বর বিছানা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সুস্থ হলে গত মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু জয়নারায়ণ পান্ডে  হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি যাননি। হাসপাতালের বারান্দায় থাকা আরেক সংকটাপন্ন রোগীকে তিনি তাঁর বিছানা ছেড়ে দেন। তবে এ কথা জানত না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বুধবার ভোরবেলা বারান্দার ওই রোগী ৭২ নম্বর বেডে মারা যান। আর ওই ৭২ নম্বরে যেহেতু জয়নারায়ণ ছিলেন, তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর বাড়িতে মৃত্যুসংবাদ পাঠিয়ে দেয়।

এদিকে ‘মৃত’ জয়নারায়ণের জন্য যে ফুল এনেছিল স্বজনরা, তা পরিয়েই তাঁরা জীবিত জয়নারায়ণকে বাড়িতে নিয়ে গেছেন। আর এ ঘটনায় তাঁরা থানায় কোনো অভিযোগ করবেন না বলেও জানিয়েছেন।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ