বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

'শাট আপ, বাস্টার্ড' অ্যাটর্নি জেনারেলকে ড. কামাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দেশের সর্বোচ্চ আদালতে প্রধান বিচারপতির এজলাসে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে ‘জারজ’ বলেছেন  জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন।

বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নিয়োগপ্রাপ্ত ১৩৮ জন চিকিৎসকের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে মামলার শুনানিতে গত বুধবার তিনি এ শব্দ ব্যবহার করেন।

আদালতে  চিকিৎসকদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম ও কামরুল হক সিদ্দিকী।

বিএসএমএমইউর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও আইনজীবী তানজিব উল আলম।

অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যের আদালত কামাল  হোসেনের বক্তব্য জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, সিন্ডিকেটে এক সময় (বিএনপি-জামায়াত জোটের সময়) ডাক্তারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এখন ওনারা সেই সিন্ডিকেটের বিপক্ষে স্ট্যান্ড নিচ্ছে। এগুলো হলো ইন্টেলেকচুয়াল প্রস্টিটিউশন।

এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল এ ধরনের শব্দের ব্যবহারে আপত্তি জানালে তাকে উদ্দেশ্য করে কামাল হোসেন বলেন, ‘শাট আপ, বাস্টার্ড। ইউ টেক ইউর সিট।

এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘ইউ ক্যান নট আটার দিজ ওয়ার্ড। এ সময় প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে ড. কামাল হোসেন তার আসন গ্রহণ করেন।

তখন কামাল হোসেনকে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনি একজন সিনিয়র আইনজীবী, এ ধরনের শব্দ চয়ন ঠিক নয়। ’ এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল প্রধান বিচারপতিকে বলেন, ‘আপনি তো ওনাকে তোষামোদ করলেন। একজন সিনিয়র অ্যাডভোকেট যেভাবে আমাকে গালি দিল— এর কী হবে?’ এ পর্যায়ে আদালত বিরতিতে যায়।

বিরতির পর আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে ওই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে ড. কামাল ক্ষমা চান।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ