শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে :পীর সাহেব চরমোনাই ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে? উলামা মাশায়েখ ও মাদরাসার ছাত্রদের সম্মানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ইফতার মাহফিল  খতমে নবুওয়াত বিরোধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা : প্রধানমন্ত্রী ২ দিন বৃষ্টির আভাস জানিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা ১৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত শেয়ার বাজারসহ ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়বে: অর্থমন্ত্রী রমজান উপলক্ষে ৮২৩ খাদ্যপণ্যে বিশেষ ছাড় আরব আমিরাতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের আটজনের দফতর বণ্টন কে কোন দফতরে?

ভ্রাম্যমান আদালত অবৈধ ঘোষনা করে হাইহকোর্টের দেয়া রায় স্থগিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভ্রাম্যমান আদালত অবৈধ ঘোষনা করে হাইহকোর্টের দেয়া রায় ১৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। সরকার পক্ষের আপিল আবেদনে চেম্বার আদারত এই রায় ঘোষনা করেন।

একইসঙ্গে নিয়মিত আপিল বেঞ্চে আবেদন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়ছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। এর আগে রবিবার (১৪ মে) সকালে আদেশটি স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়।

স্থগিত চাওয়া বিষয়ে মোতাহার হোসেন সাজু সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যকারিতায় সমাজে এক ধরনের চাহিদা আছে। ভেজাল, নকল খাবার থেকে শুরু করে নানা পণ্যের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে মানুষের এক ধরনের আস্থা তৈরি হয়েছে। এখন হুট করে এটা বন্ধ হওয়ায় বিপত্তি ঘটতে পারে।’

এর আগে, ১১ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যাবে না বলে আদেশ দেন হাইকোর্টে। বিচারপতি আশিস রঞ্জন ও বিচারপতি মইনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের ৫ ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া আছে। আইনের ৬(১), ৬(২), ৬(৪), ৭, ৮(১), ৯ ও ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পদ্ধতি থেকে শুরু করে আদালত পরিচালনার ক্ষমতা আপিল সংক্রান্ত বিধান বিষয়ে উল্লেখ আছে। রায়ে হাইকোর্ট বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের এসব ধারা মাজদার হোসেন মামলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এ ধারাগুলোকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হলো।’

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত পৃথক তিন ব্যক্তির দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ সংক্রান্ত তিনটি রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে তা যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেওয়া হয়। রিটকারী তিন ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া তাদের একজনের কাছ থেকে জরিমানা হিসেবে নেওয়া ১০ লাখ টাকা রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ফেরত দিতে সংশ্লিষ্টদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ের পর রিট আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন থেকে আর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যাবে না। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হলে সরকারকে আইন সংশোধন করতে হবে অথবা নতুন করে আইন তৈরি করতে হবে। তবে এই আইন মাজদার হোসেন মামলার রায়ের সঙ্গে মিল রেখে হতে হবে।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ