শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে :পীর সাহেব চরমোনাই ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে? উলামা মাশায়েখ ও মাদরাসার ছাত্রদের সম্মানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ইফতার মাহফিল  খতমে নবুওয়াত বিরোধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা : প্রধানমন্ত্রী ২ দিন বৃষ্টির আভাস জানিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা ১৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত শেয়ার বাজারসহ ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়বে: অর্থমন্ত্রী রমজান উপলক্ষে ৮২৩ খাদ্যপণ্যে বিশেষ ছাড় আরব আমিরাতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের আটজনের দফতর বণ্টন কে কোন দফতরে?

সরাসরি দাওরা সনদের মান দেয়া শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রহসন: মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কওমি শিক্ষা সনদের স্বীকৃতির ঘোষণার পর থেকে স্বরব হয়ে উঠেছে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত বা সুন্নী জামাত। প্রতিবাদ সভা, মানব বন্ধন ও প্রধানমন্ত্রীকে আলটিমেটাম দেয়ার পর এবার করলো গোলটেবিল বৈঠক।

মাসিক প্রথম বসন্তের ব্যানারে ‘কওমি সনদ বিতর্ক’ শিরোনামে গোলটেবিল বৈঠক করেছে তারা। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পত্রিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার এতে সভাপতিত্ব করেন। তিনি আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা'আত সমন্বয় কমিটির মহাসচিব।

স উ ম আবদুস সামাদের সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, আলিয়া ও কওমি দুই ধারার শিক্ষাব্যবস্থা জাতিকে বিভক্ত করে রেখেছে। একই দেশে পরস্পর বিপরীতমুখী দুই ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে দেওয়া যায় না। কওমি শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে কোনো প্রকার বাছ-বিচার ছাড়াই একেবারে মাস্টার্স সমমর্যাদা প্রদান একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এর ফলে শিক্ষার ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি হবে।

এ সময় বক্তরা আলিয়া ও কওমি ধারার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সর্বোচ্চ ফোরাম গঠন করে অভিন্ন মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

কওমি সনদের স্বীকৃতি বাতিল বিষয়ে আওয়ার ইসলামকে যা বললো সুন্নী জামাত

কওমি সনদের স্বীকৃতি বাতিলে সুন্নী জামাতের কর্মসূচি ঘোষণা

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার বলেন, ‘যেখানে শিশুকাল থেকে ইবতেদায়ি, জেডিসি, দাখিল, আলিম, ফাজিল (পাস ও অনার্স কোর্স) শেষ করে শিক্ষাজীবনের প্রায় ১৭ বছর পর মাস্টার্স সনদ নিতে হয়, সেখানে কোনো পাবলিক পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে একেবারে দাওরার সনদ দেয়ার ঘোষণা শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রহসন বৈ আর কী হতে পারে?’

এতে আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম এ অদুদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ, ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, সাংবাদিক স ম ইব্রাহিম, অধ্যক্ষ আল্লামা তৈয়ব আলী, অধ্যক্ষ আল্লামা বদিউল আলম রিজভী, সাংবাদিক মাঈনুদ্দীন দুলাল, অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, অধ্যাপক মুহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, পীরে তরিকত গোলামুর রহমান আশারফ শাহ, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আমিরী, অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল গফুর রেজভী প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম বসন্তের প্রকাশক মুহাম্মদ ফজলুল করিম তালুকদার।

আরো উপস্থিত ছিলেন নাছির উদ্দিন মাহমুদ, মাওলানা ইকবাল হোসেন আলকাদেরী, সংগঠক আজিজুর রহমান আজিজ, কাযী আবুল ফোরকান হাশেমী, সাংবাদিক আ ব ম খোরশিদ আলম খান, জসীম উদ্দিন মাহমুদ, সৈয়দ মোহাম্মদ আবু আজম, মাছুমুর রশিদ প্রমুখ।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ