আওয়ার ইসলাম : সারাদেশে এমপিওভুক্ত সাড়ে সাত হাজার মাদ্রাসার দেড় লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারীর এপ্রিল মাসের বেতন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-বিল তৈরি করার দায়িত্ব মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)।
তবে এপ্রিল মাসের বেতন-বিল তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ে গত ২৭ এপ্রিল আকস্মিকভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিল তৈরির দায়িত্ব নবগঠিত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে দিয়েছে। পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় তারা গত চার দিনে এ বিষয়ে কিছুই করতে পারেনি। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে মাদ্রাসার বেতন। খবর সমকালের।
‘মাদরাসায় ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার নয় শুধু আলেম তৈরি হবে’ এ কথায় একমত নই: মাওলানা মিসবাহ
অনেক মাদরাসায় শিক্ষকদের বেতন বাকি থাকে, এটা কি দোষণীয়?
মাদ্রাসা শিক্ষকরা জানান, পর্যাপ্ত ও দক্ষ জনবল নিয়োগ না দিয়েই অনেকটা আকস্মিকভাবে এ দায়িত্ব মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে দেওয়ায় তাদের বেতন-ভাতা প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে গেল। চলতি মাসে রমজান শুরু হওয়ার কথা। সঠিক সময়ে বেতন-ভাতা না পেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা চরম বিপাকে পড়বেন।
এদিকে, সঠিক সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়া সম্ভব হবে কি-না তা নিয়ে মাউশি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাই সন্দিহান। তবে এ নিয়ে তারা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না।
মাউশির একটি সূত্র জানায়, আগামী জুলাই থেকে এ দায়িত্ব্ব মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে দেওয়ার কথা ছিল। এর আগেই অনেকটা তড়িঘড়ি করে এ দায়িত্ব তাদের দেওয়া হলো। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয় ভাগের পর নবগঠিত বিভাগ দুটির কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব চলছে। এ কারণে শিক্ষকদের বেতন দেওয়া