শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাজীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর হবিগঞ্জে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ আগামীকাল বায়তুল মোকাররমে জুমা-পূর্ব আলোচনা করবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী বন্যাদুর্গতদের জন্য জুলাইয়ে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় বন্ধের উদ্যোগ হরমুজের পর লোহিত সাগরও বন্ধের হুমকি ইরানের তফসিল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ ইসির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে’  ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

অন্ধকার বাগদাদে আলোর ফেরিওয়ালা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

 আওয়ার ইসলাম : আলি আল মোউসুকি।বয়স তার মাত্র ২৫৷ বই বিক্রি করেন বাগদাদের রাস্তায়। তিনিই হলেন এই মোবাইল বুক ট্রাকের মালিক৷ যার কাছে বই-ই একমাত্র ভালোবাসার জায়গা৷

একের পর এক বোমা হামলায় বাগদাদ অশান্ত৷ সেই অশান্তির মাঝেই শান্তির খোঁজে এই উদ্যোগ নিয়েছেন মোউসাউই৷ বাগদাদের  মোড়ে মোড়ে তিনি বই বিক্রি করেন৷   পথচলতি অনেকেই একবার হলেও তাঁর বইয়ের ট্রাকে উঁকিঝুঁকি  দিয়ে যান৷ কেউ কেউ বেশ সময়ও কাটিয়ে যান এখানে বই পড়ে৷ বাগদাদের এই অশান্তির মাঝে এই বিশেষ মোবাইল বইয়ের ট্রাকটি সাহিত্য এবং নাশকতার বিরুদ্ধে লড়াই করছে৷

আলি আল মোউসুকি জানান, এই বইয়ের বিশেষ ট্রাকটি চালানোর জন্য তাঁকে অনেক বাধাবিঘ্ন পেরোতে হয়৷ নিরাপত্তারক্ষীরা মাঝেমধ্যেই তাঁর বইয়ের ট্রাকটি পরীক্ষার জন্য দাঁড় করায়৷  তবে উজ্জ্বল ঝকঝকে বইয়ের ট্রাকের আকর্ষণে অনেকেই এখানে আসেন৷

২০০৩ এর ইরাক যুদ্ধের পর বাগদাদ প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল৷ মানুষের মধ্যে এই বিষয়ে আবারও বইয়ের প্রতি ভালোবাসা ফিরিয়ে আনতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন মোউসুকি৷ তবে প্রথমেই বুকস্টোরটি শুরু করেননি তিনি৷  প্রথমে  একটি ফেসবুক পেজ ওপেন করেন৷ যেটির নাম ‘ইরাকি বুকিশ’৷ ওই পেজেই বিপুল সাড়া পাওয়ার পরই তিনি এবার শুরু করেন এই দোকানটি৷ এরপর থেকে তাঁকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি৷

এই ধরনের একটি অভিনব উদ্যোগের পিছনে রয়েছে আরও একটি কারণ৷ তিনি মনে করেন, এমন একটি বুকস্টোর তৈরি হলে সেখানে বিভিন্ন ধরণের মানসিকতার লোক আসবে৷ এরফলে সে আরও নিত্যনতুন ধারণা পাবেন আরও অভিনব কাজ করার এবং এই বুক স্টোরটিকে আরও উন্নত করতে পারবেন তিনি৷

সম্প্রতি তিনি এই বুকস্টোর গুলিতে বই বিক্রি করারও ব্যবস্থা হয়েছে৷ এমনকি বইপত্র ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ডেলিভারি ব্যবস্থাও রয়েছে এখানে৷ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে মোবাইল বুকস্টোরটি৷ চারজন কর্মীও নিয়োগ করেছেন তিনি৷ এই দোকানের আয় আপাতত চার হাজার মার্কিন ডলার৷

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ