শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা

ধর্ষণের দায়ে সাত এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ ১০ জন কারাগারে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ধর্ষণ ও ভিডিও চিত্র ধারণের দায়ে কুড়িগ্রামে পর্নোগ্রাফি আইনে সাত এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ গ্রেফতার হওয়া ১০ জনের জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে আসামিদের আইনজীবী ফখরুল ইসলাম জামিনের আবেদন করেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমানের আদালত তা নাকচ করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে গোপনে তা ভিডিও করার পর মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা হলে ১০ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে প্রধান আসামি রাশেদুল ইসলামসহ ৭ জন এইচএসসি পরিক্ষার্থী।
পুলিশ জানায়, রাশেদুল নাগেশ্বরী উপজেলার হোসেন আলীর ছেলে। সে সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ওই কিশোরীর সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে রাশেদুল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিশোরীকে তার এক বন্ধুর বাড়ি নিয়ে যায়। সেখানে ওই কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। ওই দৃশ্য আবার গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাশেদুলের বন্ধুরা। পরে তা মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ওই কিশোরী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং রাশেদুলকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাশেদুল ভিডিও চিত্রটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা দাবি করেন। পরে বিষয়টি কিশোরী তার পরিবারকে জানায়। রবিবার (৩ এপ্রিল) ওই কিশোরীর মামা সদর থানায় রাশেদুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম জানান, রাশেদুলকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে ৩৭ মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করা হয়। এরপর তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী বাকি আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সোবহান জানান, প্রধান আসামি রাশেদুলকে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে এবং বাকিদের শুধু পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ