শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
অনুভূতি বুঝতে দুদিন রোজা রেখেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আজকের স্বর্ণের দাম: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে :পীর সাহেব চরমোনাই ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে? উলামা মাশায়েখ ও মাদরাসার ছাত্রদের সম্মানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ইফতার মাহফিল  খতমে নবুওয়াত বিরোধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা : প্রধানমন্ত্রী

ময়মনসিংহে নারী কনস্টেবলের আত্মহত্যা; নেপথ্যে প্রেম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

women_policeময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার এক নারী কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারী গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

রোববার সন্ধ্যায় গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন এ কথা জানান।

নিহত হালিমা খাতুনের (২৫) বাড়ি নেত্রকোণার শ্যামগঞ্জে।

ওসি দেলোয়ার মিডিয়াকে বলেন, “দুপুর আড়াইটার দিকে থানা ব্যারাকের একটি পরিত্যক্ত ভবনে গায়ে কেরাসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন হালিমা। এ সময় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

“বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে ভালুকায় তার অবস্থার আরও অবনতি হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয়।”

বিডিনিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গৌরীপুর থানার এক পুলিশ সদস্য বলেন, “ওই নারী পুলিশ সদস্যের সঙ্গে একই থানার এসআই মিজানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন আগে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে হালিমা গায়ে আগুন দেন।”

অভিযুক্ত এসআই মিজান বিবাহিত এবং তার একটি ছেলে রয়েছে। তাকে নজরদারীতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময় হালিমার সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে এসপি বলেন, “দগ্ধ হালিমার কথা অস্পষ্ট ছিল। তবে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি সত্য।”

এআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ