সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী ‘আদালতের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল-ধর্মঘট নিষিদ্ধ জুলাই চেতনার পরিপন্থী’ ব্রিটিশ বাংলাদেশি মুসলিমদের প্রশংসা দ্য ইকোনমিস্টের ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজর ৭৩৩ ‘জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না’  ‘মুমিনের অন্তরে নবীজির জীবনাদর্শের চেতনা সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে’ দাওরায়ে হাদিস নিবন্ধনে বয়স পরিবর্তনের সুযোগ থাকছে না ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা, ভোট হবে সাত ধাপে ‘আইন প্রণয়ন ও সংশোধনে ইসলামি মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিতে হবে’ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সরকারের অসহায়ত্ব দৃশ্যমান: ইসলামী আন্দোলন

মাকবারায়ে কাসেমিতে শায়িত হলেন আল্লামা আজমি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাওলাদার জহিরুল ইসলাম
দেওবন্দ থেকে

allama_azmi_kasemiদারুল উলুম দেওবন্দের শায়খে সানী, হজরত হুসাইন আহমদ মাদানি রহ.এর খাস শাগরেদ, মাওলানা শাহ আবরারুল হক রহ.এর খলিফা, মরহুম হজরত আল্লামা আবদুল হক আজমি রহ.-এর নামাযে জনাযা স্থানীয় সময় বেলা দেড়টায় হওয়ার কথা থাকলেও সময় পরিবর্তন করে বিকাল তিনটায় পড়া হয়৷ মরহুম হজরতের বড় সাহেবজাদা ও ক'জন নিটক আত্নীয় আজমগড় থেকে আসতে বিলম্ব হচ্ছিলো৷

বেলা আড়াইটার দিকে মরহুম শায়খের মাগফিরাত কামনায় কদিম দারুল হাদিস ভবনে কুরআন ও কালেমায়ে তাইয়্যেবার খতম করে দোয়া করা হয়৷ এর আগে বর্তমান দারুল হাদিসে সাড়ে ১১টার হজরত আল্লামা সাঈদ আহমদ পালনপুরী (দামাত বারাকাতুহুম) দাওরায়ে হাদিসের সকল ছাত্রকে নিয়ে বিশেষ মোনাজাত করেন৷

বিকাল সোয়া তিনটায় নামাজের সবাইকে কাতারে দাঁড়াতে বলা হয়৷ অমনি হাজার হাজার মুসল্লি দারুল উলুমের কদিম দারুল হাদিস ভবন সংলগ্ন মাঠ, দারুল হাদিস, নওদারা, এহাতায়ে মুলসুরিতে সারিবদ্ধ হতে থাকে৷ নামাজের কাতার সদরগেট ছাড়িয়ে মেহমানখানায় গিয়ে পৌঁছে৷

আশপাশের সকল মাদরাসা, সাহারাপুর মাদরাসাসহ দূর দূরান্ত থেকে মানুষ জানাযার নামাজে শরিক হতে আসে৷

৩টা ৩৫ মিনিটেও অপেক্ষা করা হয়৷ মুহাতামিম সাহেব, আরশাদ মাদানি সাহেব, নায়েবে মুহতামিম সাহেবসহ সবাই জানাযার পাশে তখন উপস্থিত৷
অবশেষে বিকাল ৩টা ৫৫ মিনিটে মাওলানা সাইয়্যিদ আরশাদ মাদানি’র ইমামতিতে নামাযে জানাযা শুরু হয়৷

নামাজ শেষে মরহুম শায়খের জানাযার খাটিয়া নিয়ে রওনা করা হয় দেওবন্দের মাকবারায়ে কাসেমির দিকে৷ এসময় প্রচণ্ড ভিড়ের সৃষ্টি হয়৷ সবাই চাচ্ছিলে শায়খের বহনকারী খাটিয়া একটু হবন করে সৌবাগ্যবানদের কাতারে নিজেকেও শামিল করবেন৷ মাদানি গেট হয়ে খাটিয়া বহন করে নিয়ে যাওয়া হয় মাকাবারায়ে কাসেমিতে৷ পরে হাজার হাজার উলামা-তলামা, আমজনতা প্রিয় শায়খকে চির বিদায় জানিয়ে দাফনের কাজে শরিক হয়৷
দাফন কার্য সম্পন্ন হয় বিকাল সাড়ে চারটার দিকে৷ অতিরিক্ত ভীড় ঠেকাতে দারুল উলুম কর্তৃপক্ষ আগেই সেখানে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছিলেন৷

মহামহিম তাকে জানন্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন৷ আমিন!

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ