মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু, ২৫ জুন পবিত্র আশুরা ৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক

ধর্ষণ ও মিডিয়ার কান্না কান্না আবেগ ব্যবসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

15-dayরেজাউল করিম রনি

একজন প্রেমিককে ধর্ষক বানানো হলো মিডিয়ার আবেগি ব্যবসার জন্য। কিছু কান্না ব্যবসায়ী ও সংখ্যা লঘু দরদী কলমবাজ বেশ লেখা-লেখিও করেছেন এটা নিয়ে। প্রথম আলোসহ সব মিডিয়া পারলে মুক্তিযুদ্ধের আবেগে প্রেমিক সোবহানকে জ্যান্ত খায়া ফেলে। ১৫ দিন ধরে আটকে রেখে হিন্দু নারীকে ধর্ষণের সে খবর মিডিয়াতে রসিয়ে রসিয়ে প্রচার করা হয়েছে তা ভুয়া। এটা প্রেম ছিল। যদিও পরকিয়া। তবে সোবহান মনে হয় এটা আপনক্রিয়া মনে করেই করছিলেন। ডয়েচে ভেলের রিপোর্টে মিডিয়ার কথিত ধষিত নারীর বক্তব্য পাওয়া গেছে।

‘‘ওই নারীও জানিয়েছেন, কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি৷ আমাদের পাশাপশি বসে গল্প করতে দেখেন আমার স্বামী৷ তারপর সে পালাতে গিয়ে আমার পায়ে ছুরিকাঘাত করে৷ গত ৬ মাস ধরে সোবহানের সঙ্গে আমার পরিচয়৷ সে আমাদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো৷''

তো ঐ দিন মশারির ভিতর বসে দ্বিতীয় তলায় ঐ নারী ও প্রেমিক সোবহান গল্প করছিল। নিচে স্বামী ঘুমাইতেছিল। খুচুর খুচুর গল্পের আওয়াজে ঘুমের ডিসটার্ব হওয়ায় ঘুম ভেঙে দেখেন প্রাণের স্ত্রী পাশে নাই। পরে দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখেন স্ত্রী সোহবানের সাথে মধ্য রাতে রামায়নের গল্প জুড়ে দিছেন। মনে হয় রাতের নিরিবিলি পরিবেশে রামায়নের গল্প বলে মুসলামন সোবহানের মনে ভক্তি ভাব জাগ্রত করতে চেয়েছিলেন সনাতন ধর্মের ঐ নারী। কিন্তু স্বামী আসামীকে হাতে নাতে ধরতে গেলে সোবহান ছুরি চালান। আর এতে স্বামী সিনেমার স্টাইলে সরে গেলে কোপ লাগে প্রেমিকার পায়ে। এই হল আসল ঘটনা।

এই ঘটনাকে চেতনার ফিল্টারে অন্য রামায়নের গল্প বানিয়ে শাহবাগী ও বামপন্থিরা ব্যাপক আবেগ উতপাদন করেছেন। যেহেতু হিন্দু নারী তাই কোন কোন রিপোর্টে ধর্ষনের পরে পায়ে কোপানোর বিষয়টা অতি নিপুণভাবে, চরম নিষ্ঠুরতা আকারে দেখানো হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল, ভারত মাতার চেতনায় একটু তা দেওয়া। কিন্তু দুষ্টু ডয়েচে ভেলে আসল ঘটনা তদন্ত করে সঠিক রিপোর্ট পেশ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও চিরবন্ধু ভারতের সাথেই শুধু নয় মিডিয়ার পরিবেশিত রামায়নের গল্পের ১২টা বাজাই দিছে।

প্রিয় দেশবাসী। গপ্পের রামায়ন-মহাভারত ও এই টাইপের কিচ্ছার ডাউস ডাউস বই পড়ার দিন শেষ। ডিজিটাল পদ্ধতীতে বাংলাদেশের মিডিয়ার খবরে চোখ রাখলেই সব রুপ কথার গল্প সহজে আপনার জিবনে প্রবেশ করবে।

লেখকের ফেসবুক পেইজ থেকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ