শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ।। ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সব ব্যাংকের প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নির্দেশনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘শরিয়াহর চেতনাধারী যুব সমাজই আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়বে’ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুদ্ধে সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় রিয়াদকে ইরানের ধন্যবাদ মোটারসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ ও প্রাইভেটকারে ১০ লিটার তেল নেওয়া যাবে লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৬৫ বাংলাদেশি ইরানের জনগণসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি জামায়াতের সহমর্মিতা  ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতা 

বন্দী উইঘুর মুসলিম নেতা জিতলেন মানবাধিকার পুরস্কার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ilham-tothiআওয়ার ইসলাম: চীনের কারাগারে বন্দী উইঘুর মুসলিম নেতা ও বুদ্ধিজীবী ইলহাম তাহতি মানবাধিকার পুরস্কার জিতেছেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ ১০টি মানবাধিকার সংস্থার জোট তাকে এ পুরস্কার প্রদান করেছে।

২০১৪ সালে ইলহাম তাহতিকে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের অভিযোগ এনে  আজীবন কারাদণ্ড দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

গতকাল জেনেভায় এক অনুষ্ঠানে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জোট তাদের বার্ষিক ‘মার্টিন এনালস’ নামের পুরস্কার দেয় ইলহাম টহতিকে। কিন্তু তাকে এ পুরস্কার দেয়ার সমালোচনা করে চীন বলেছে, ইলহামের মামলার সাথে মানবাধিকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

বেইজিংয়ের মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তাহতি, চীনের জাতিগত নীতির স্পষ্ট সমালোচক ছিলেন, বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াংয়ের মুসলিমদের ওপর চীন সরকারের আচরণের কড়া সমালোচক তিনি।

তবে সংখ্যালঘু উইঘুর সম্প্রদায়ের ব্যাপারে মধ্যপন্থী কণ্ঠস্বর হিসেবে চীনের বাইরে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে দুই দিনের এক শুনানির পর তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বিচ্ছিন্নতাবাদে সমর্থন, জাতিগত উসকানি, সন্ত্রাসবাদে মদদ এবং সরকারের সমালোচনার অভিযোগ তোলা হয় তার বিরুদ্ধে। তাহতি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপর চীন সরকার বরাবরই কঠোর। সেখানে মুসলিমদের রোজা রাখা নামাজ পড়া এবং দাড়ি রাখা পর্যন্ত সরকারিভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু এত কঠোরতার মধ্যেই চীনা মুসলিমরা ধর্ম পালন করে যাচ্ছে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ