শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ

নৈতিকতাহীন শিক্ষার ফলে সন্তানের হাতে মা বাবা দ্বগ্ধ হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Islami-Andolonআওয়ার ইসলাম: নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা ব্যবস্থার কুফল সর্বত্র ফুটে উঠছে। ফলে সন্তানের হাতে মাতা-পিতাকে হত্যা কিংবা দ্বগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করতে হচ্ছে। নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষা ছাড়া মানুষকে মনুষ্যত্ববোধ শিক্ষা দেয়া সম্ভব নয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা শাখার নেতৃবৃন্দ গতকাল এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

নেতারা বলেন, প্রতিনিয়ত সন্তানের হাতে মাতাপিতা, মাতাপিতার হাতে সন্তান হত্যা কিংবা নারী নির্যাতন-নিপীড়ন, ইভটিজিং, ধর্ষনসহ নানাবিধ পাপাচারে লিপ্ত হচ্ছে মানুষ। অপরদিকে চরিত্র বিধ্বংসী অশ্লীল ছায়াছবি, নাটক ইত্যাদি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক বর্তমান বিতর্কিত শিক্ষানীতি, শিক্ষাআইন এবং হিন্দুত্ববাদী ও নাস্তিক্যবাদী পাঠ্যসূচী। এটা বাতিল করে নতুনভাবে সিলেবাস প্রণয়ন না করলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা শাখার উদ্যোগে কেরাণীগঞ্জস্থ অফিস মিলনায়তনে থানা সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান আহমদ খানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মুহাম্মদ কায়েস উদ্দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারী অধ্যাপক ডা. কামরুজ্জামান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুফতি ইবরাহীম শরীফসহ থানা ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ।

ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী অব্যাহত সন্ত্রাস বন্ধ ও নাস্তিক্যবাদী ধর্মহীন শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিলের দাবি করে বক্তাগণ বলেন, সিলেবাস থেকে অনেক মুসলিম কবি-সাহিত্যিকদের ইসলামি ভাবধারায় রচিত প্রবন্ধ, গল্প ও কবিতা পাঠ্য বই থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। নতুন বছর আসার আগেই সিলেবাস সংশোধন করতে হবে। অন্যথায় পীর সাহেব চরমোনাই’র নেতৃত্বে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ