শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ

‘কিরণ মালা’ দেখা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০০ (ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

kironmalaহবিগঞ্জ: ভারতীয় সিরিয়াল দেখা নিয়ে হবিগঞ্জে দু’ গ্রুপের মধ্যে ৪ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নারী-পুরুষ, শিশুসহ কমপক্ষে শতাধিক লোক আহত হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কমপক্ষে ১০ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ সময় পুলিশ ৯ রাউন্ড রাবার বুলেট, ৫ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১১টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে।

পুলিশ ও আহত সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৭ আগস্ট) রাতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ধল বাজারে শাকির রেস্টুরেন্টে স্টার জলসায় কিরণ মালা সিরিয়াল দেখা নিয়ে ধল গ্রামের সানু মিয়ার মেয়ে রেবা ও হাফসার সঙ্গে একই গ্রামের আকবর মিয়ার মেয়ে শেফালীর বাকবিতণ্ডা হয় । খবর পেয়ে তাদের পরিবারের লোকজন শাকির রেস্টুরেন্টে এসে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এ সময় রেস্টুরেন্টের মালিক কামরুলসহ ৫ জন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা রাতেই বিষয়টি সমাধান করে দেয়।

কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনা ঘটে গেলো অন্য কিছু উভয়পক্ষের লোকজন বাজারের পাশের একটি খেলার মাঠে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। পরে হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে সদর থানার ওসি ইয়াসিনুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জসহ ৯ রাউন্ড রাবার বুলেট, ৫ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গুলি ও টেটাবিদ্ধ অবস্থায় আতর আলী, নানু মিয়া, গিয়াস উদ্দিন, মোশারফ, খেলু মিয়া, টেনুসহ ১০ জনকে উদ্ধার করে ওসমানি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সদর থানার ওসি ইয়াসিনুল হক সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ