মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু, ২৫ জুন পবিত্র আশুরা ৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক

ব্যর্থ অভ্যুত্থান এবং পশ্চিমা মিডিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rashed shawnরাশেদ শাওন: তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর পশ্চিমা মিডিয়াগুলোর ভাবটা এমন যে অভ্যুত্থানটা সফল হয়ে গেলেই তারা খুব খুশি হতো। সেইসঙ্গে আমাদের দেশের অনেক সামরিক শাসন বিরোধী, গণতন্ত্রপন্থী সুশীলও মনে হয় কষ্ট পেয়েছেন- অভ্যুত্থানটা কেন সফল হলো না! এটা সফল হলে পশ্চিমাদের কিছু সুবিধা ছিল। কিন্তু এতে বাংলাদেশি সুশীদের কোনো লাভ হতো কিনা আমার জানা নেই।

অভ্যুত্থানটা সফল হয়ে গেলে কিন্তু ক্ষতির পরিমাণটা অনেক বেশি হতো। তুরস্কের সেনা, বিমান এবং নৌবাহিনীতে এরদোয়ানপন্থী অসংখ্য কর্মকর্তা রয়েছেন। তারাও পাল্টা অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালাতেন। শেষ পর্যন্ত টিকতে না পারলে বিদ্রোহ ঘোষণা করে সেনাবাহিনী থেকে বেরিয়ে যেতেন। যেমনটা হয়েছিল সিরিয়ার ক্ষেত্রে। সেনাদের একটি অংশ বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে গিয়ে তৈরি করেছিল ফ্রি সিরিয়ান আর্মি।

এরদোয়ানের পক্ষের সাধারণ জনগণও নিশ্চয়ই বসে থাকতো না। যারা সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কের সামনে দাঁড়াতে ভয় পায়নি, তারা অস্ত্র হাতে ‍তুলে নিতেও ভয় পেত না। ফলে কী হতো? একটা গৃহযুদ্ধ তৈরি হতো। ইরাক, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ার ভাগ্য বরণ করতে হতো তুরস্ককে। সেই দেশগুলোর জনগণের দুর্দশার কথা চিন্তাও করা যায় না।

এক সময় আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে মানব উন্নয়ন সূচকে সবচে এগিয়ে থাকা লিবিয়ার কথা ভাবলে এখন গা শিউরে ওঠে। এক কালের ঝকঝকে ইরাক, সিরিয়া এখন ধ্বংসস্তূপ। সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে মিশরেও। সেখানের মানুষও কি ভালো আছে। বেকারত্ব বেড়েই চলেছে দেশটিতে। অর্থনৈতিকভাবেও এগোতে পারছে না মিশর।

সবচে বড় সুবিধাটা পেত আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীরা। বিশৃঙ্খলার সুযোগে তারা তুরস্কে ঘাঁটি তৈরি করতো। আইএস ওঁৎ পেতে বসেই আছে। ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়াকে যেমন অভয়ারণ্য বানিয়েছে, তেমনি তুরস্ককেও বানাতো। সন্ত্রাসবাদ আরো শক্তিশালী হয়ে উঠতো। এতে কারোরই কোনো লাভ হতো না। আর ক্ষতিটাও শুধু তুরস্কের জনগণের হতো না। সন্ত্রাসবাদীরা সারা পৃথিবীতেই ছড়িয়ে পড়ছে। ওরা শক্তিশালী হলে কুফলটা সবাইকেই ভোগ করতে হবে।

/আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ