শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘সাহাবিবিদ্বেষীদের বায়তুল মোকাররমের আশপাশে থাকার অধিকার নেই’  জামালপুরে বাসচাপায় প্রাণ গেল শাশুড়ি-পুত্রবধূর মুসলমান পরিচয়ে গর্বিত বলিউড অভিনেতা আমির খান দিল্লির আন্দোলনে মুসলিমদের অংশ না নেওয়ার আহ্বান ইমাম সংগঠনের প্রধানের মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশি হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরা বায়তুল মোকাররমে ফের এসির তার চুরি, বন্ধ ৮ এসি পটুয়াখালী ইপিজেডের সামনে থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী কওমিরা লেখালেখিতে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে: লিয়াকত আলী মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধ সময়ের দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Medicineমোস্তফা ওয়াদুদ : আমাদের শারীরিক অসুস্থতার জন্য আমরা ওষুধ সেবন করে থাকি। ক্যাপসুল, সিরাপ ও অন্যান্য ট্যাবলেট ভক্ষণ করি। যাতে আমাদের রোগের আরোগ্য হয়। আমরা মুক্তি পাই জটিল কঠিন ব্যাধি থেকে।

এখন রোগ মুক্তির অন্যতম  পাথেয় যদি ভেজালময় হয় তাহলে তো আমাদের শরীরের রোগ ক্রমাহত  বৃদ্ধি পাবে। শারীরিক অসুস্থতা মহামারী আকার ধারণ করবে। তাই ভেজাল ও নকল ওষুধ প্রতিরোধে এখনি ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

রাজধানীতে একশ্রেণির ওষুধ কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে জীবন রক্ষাকারী ওষুধে ভেজাল মিশিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে তারা একটি জঘণ্য অপরাধ করে আসছে। এই ভেজাল ও নকল ওষুধগুলো বিশেষ করে রাজধানীর মিটফোর্ডসহ দেশের বৃহত্তর ওষুধ বাজারে এমনভাবে ঢুকে পড়ছে যা যাচাই-বাছাই করা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। এতে দেশের সাধারণ ভোক্তার পাশাপাশি ওষুধ ফার্মেসি বা ওষুধের ক্ষুদ্র দোকানগুলো  মারাত্মক বিপদে পড়ছে। অনেকক্ষেত্রে তাদের পক্ষে আসল ও ভেজাল ওষুধ চেনা খুবই দুষ্কর হয়ে যাচ্ছে।  এতে করে সময় সময় ঐ সকল ওষুধের ফার্মেসি বা ওষুধ বিক্রেতাকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। হতে হচ্ছে অপমানিত। দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও  তৎসংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের নজরদারী, তদারকি ও পরিদর্শনের অভাবে দেশের নামিদামি ওষুধ কোম্পানিগুলোর নাজুক অবস্থা হচ্ছে ।

অত্যন্ত উদ্বেগজনক হচ্ছে, দেশের অনেক ওষুধ কোম্পানিগুলো নিম্মমানের ওষুধ তৈরির পাশাপাশি নামিদামি কোম্পানির উন্নতমানের ওষুধ নকল করা শুরু করেছে। এতে যেমনি ক্ষুন্ন হচ্ছে কোম্পানির  মান। তেমনি মানুষও হচ্ছে প্রতারিত। বেড়ে যাচ্ছে রোগের পরিধি। কষ্ট হচ্ছে সাধারণ মানুষের। বিপদে পড়ছে ভোক্তামহল।

সুতরাং রোগীকে বাঁচাতে হলে, সাধারণ জনগণকে সঠিক ওষুধ প্রদান করতে হলে ওষুধের গুণগত মান রক্ষার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে। কোম্পানির ওষুধ তৈরি থেকে  নিয়ে বাজারজাত করা পর্যন্ত পর্যাপ্ত নজরদারি করতে হবে। এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে। এক্ষেত্রে  শুধু লাইসেন্স বাতিল নয়, কালক্ষেপণ না করে নকল, বিষাক্ত ও ভেজাল বা নিম্মমানের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জনস্বাস্থ্য রক্ষার্থে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

সরকারি নজারদারির পাশাপাশি ভেজাল ও নকল ওষুধ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওষুধের ফার্মেসিগুলোকে সচেতন হতে হবে। বাড়তি অর্থের লোভে কোন ওষুধের দোকান বা ফার্মেসিগুলো জড়িত হয়ে না পড়ে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে ‘বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতি’ কে। তাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্