রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নামাজ পথ দেখায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

khawajaআওয়ার ইসলাম ডেস্ক : দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলে লম্বা দাড়ির হাশিম আমলার কথা সবাই জানেন। যিনি নিয়মিত নামাজ-রোজা করেন। যার বিবেচনায় ধর্ম সবার আগে। তেমনি অস্ট্রেলিয়া দলেও আছেন একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম ক্রিকেটার, যার নাম উসমান খাজা। তার ধর্ম বিশ্বাস ও আচার এতদিন লোকচক্ষুর আড়ালে ছিল।

সম্প্রতি তিনি গণমাধ্যমে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। নামাজে তিনি খুব শান্তি পান বলে সরাসরি জানান। ইসলাম ধর্ম তার কাছে সবার আগে। আর নামাজই তাকে সঠিক পথে রাখে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে শুরু হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের সময়ও রোজা রাখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কিছু বাজে অভ্যাস পাকিস্তান বংশোদ্ভুত খাজার শরীর নষ্ট করছিল। এরপর নামাজে মন দেন তিনি। তারপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। ২৯ বছর বয়সে এখন ক্যারিয়ারের চূড়ায়। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ান দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। কিছুদিন ধরে সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরি করে যাচ্ছেন। যদিও ২০১১ সালে প্রথম সুযোগ পাওয়ার পর জায়গাটা হারিয়েছিলেন। তবে ২০১৪ সালে আলোচনায় ফেরার পর দারুণ ধারাবাহিক এই ব্যাটসম্যান।

ক্যারিবিয়ান থেকে খাজা বলছিলেন, ‘খেলাটা কখনো স্ট্রেস আনে, আবেগতাড়িত করে, কঠিনও কখনো কখনো...সবাইকে তাই মনযোগ ধরে রাখতে পথ খুঁজতে হয়। সবাই নিজের মতো করে পথ বের করে নেয়। আমার রাস্তাটা আমার। আমি নামাজ পড়ি। ওটাই আমাকে পথে রাখে। আমার জীবনে এক নম্বর ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধর্ম। ওটা সবার আগে। অন্য সবকিছুতে এটাই সহায়তা করে। ক্রিকেটেও।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের চলতি সফরে ম্যাচের দিন রোজা রাখতে পারবেন না খাজা। কারণ, যথাযথ খাদ্য ছাড়া মাঠে সেরাটা দেওয়া সম্ভব না। এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আমলার সাথেও কথা বলেছেন তিনি। খাজা বলেন, ‘এ নিয়ে আমি হাশিমের সাথে কথা বলেছি। সে বলল, ‘না, কোনো সুযোগ নেই। ম্যাচের দিনগুলো একটু বেশি কঠিন।’ তবে আমার সিদ্ধান্ত হলো, ম্যাচের দিন হয়তো সম্ভব নয়, তবে যে দিনগুলোতে খেলা থাকবে না সেদিনগুলোতে রোজা রাখতে চাইব। সফরের দিনগুলোতেও রাখব।’

আওয়ার ইসলাম ২৪ ডটকম / এফএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ