সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জাপার কার্যক্রম স্থগিতে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলল এনসিপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রো-ভিসি ও প্রক্টর সহ আহত দুই শতাধিক ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ  নির্বাচন ঘিরে অশুভ শক্তির অপতৎপরতা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ‘চবির ঘটনা নীলনকশার অংশ কি না খতিয়ে দেখতে হবে’ ১৮ সেপ্টেম্বর উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জমিয়তের ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সারা দেশে কালেক্টিভ অ্যাটাকের পরিকল্পনা করছে’ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে যমুনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল আলিয়া মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরে আমি রাজনীতি থেকে বিরত হব না: ফজলুর রহমান

নিউজপ্রিন্ট আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার চায় নোয়াব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

all_newsসংবাদপত্র শিল্পের প্রধান কাঁচামাল নিউজপ্রিন্ট আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের আবেদন করেছে নিউজ পেপারস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় রোববার এ প্রস্তাব দেন নোয়াব সভাপতি ও দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান।

মতিউর রহমান বলেন, বর্তমানে আমাদেরকে পত্রিকার জন্য নিউজপ্রিন্ট আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। কিন্তু পত্রিকার জন্য নিউজপ্রিন্ট আমদানিতে পার্শবর্তী দেশ ভারতে শুল্ক হার শূন্য, শ্রীলংকায় ২ শতাংশ রয়েছে। অথচ আমাদেরকে নিউজপ্রিন্ট আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ককর দিতে হয়। সেই সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট পরিশোধ করতে হয়। আগামী বাজেটে নিউজপ্রিন্টের আমদানিতে আরোপিত এ শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের আবেদন করছি।

প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, পত্রিকা শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে আমদানি করা নিউজপ্রিন্টের ওপর কোনো আমদানি কর থাকা উচিত নয়। কারণ এ কাঁচামাল পত্রিকা হিসেবে বিক্রি হওয়ার আগে মুদ্রণ, সংযোজন, মিশ্রণ ও কাটিংয়ের মাধ্যমে বড় ধরনের রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সংবাদপত্রের জন্য নিউজপ্রিণ্ট আমদানিতে উৎপাদন পর্যায়ে ১৫  শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। আমরা এই ভ্যাট অব্যাহতি চাই।

মতিউর রহমান বলেন, বর্তমানে বিজ্ঞাপনদাতারা বিজ্ঞাপন বিল প্রদানের সময় ৪ শতাংশ হারে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) কেটে রাখছেন। কিন্তু পরে এআইটি চালান সংগ্রহ করা খুব কষ্টদায়ক হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে এআইটি এর অর্থ যথা সময়ে জমা না দেওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা। তাই এআইটির বিকল্প পদ্ধতি চালু করার প্রস্তাব করছি।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান নিউজপ্রিন্ট বরাদ্দ পত্রে দুই মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয়। এতে করে অনেক হয়রানি শিকার হতে হয়। তাই এ ক্ষেত্রে দুই মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে শুধু তথ্য মন্ত্রনালয়ের স্বাক্ষরে অনুমোদন হওয়ার ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান তিনি।

প্রাক বাজেট আলোচনায় সংবাদপত্রের অন্যান্য কাঁচামাল কালি, প্লেট, প্রিন্টিং ক্যামিকেল আমদানি পর্যায়ে নির্ধারিত হারে যে শুল্ক দিতে হয় তা মওকুফ করার দাবিও জানান নোয়াব সভাপতি।

এ সময় ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, সমকালের প্রকাশক একে আজাদ, ইত্তেফাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এনবিআরের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বাজেট আলোচনায় এনবিআর সদস্য (শুল্কনীতি) ফরিদ উদ্দিন, সদস্য (ভ্যাট নীতি) ব্যরিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রধান বাজেট সমন্বয়ক আকবর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ