বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ।। ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার’  পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে যাচ্ছে না জমিয়ত, বিএনপির সঙ্গে দূরত্বের ইঙ্গিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বিশেষ প্রতিনিধি

সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর শরিক দল ও সমমনা জোটের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তবে এই নৈশভোজে অংশ নিচ্ছে না বিএনপির দীর্ঘদিনের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দলের কোনো প্রতিনিধিই বৈঠক কিংবা নৈশভোজে যোগ দিচ্ছেন না বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

জমিয়তের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী গণমাধ্যমকে বৈঠকে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ঠিক কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই বিএনপির সঙ্গে জমিয়তের সম্পর্ক আগের মতো নেই। নির্বাচনে জোটগত সমঝোতার ভিত্তিতে চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পেলেও কোনো আসনে জয় পায়নি দলটি। এরপর সরকার গঠনের পর শরিক দল হিসেবে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি বলে মনে করছেন জমিয়তের নেতারা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনের পর আমাদের সঙ্গে বিএনপির কোনো যোগাযোগ নেই। কুশল বিনিময়ও হয়নি, কোনো বৈঠকও হয়নি। জোটের অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা হলেও আমাদের ধারাবাহিকভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। এটা রহস্যজনক।

জমিয়তের নেতাদের ভাষ্য, আন্দোলন-সংগ্রামে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে থাকার পরও সরকার গঠনের পর দলটিকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কিংবা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রত্যাশিত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও অভিমান থেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই আমন্ত্রণেও সাড়া দেয়নি দলটি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের পাঁচ মাস পূর্তিতে শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক মূলত জোটের ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার একটি উদ্যোগ। কিন্তু সেই আয়োজনে অন্যতম শরিক জমিয়ত না গেলে বিএনপির সঙ্গে দলটির দূরত্ব বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ