রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ।। ১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৬ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সৎ কর্মকর্তা না থাকলে জাকাতব্যবস্থাও সংকটে পড়বে: মাওলানা ইউসুফী বিএনপি নিয়ে আমার বক্তব্যটা ‘স্লিপ অব টাং’: এমপি হানজালা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোর প্রতি ইরানের বার্তা ইসরায়েলের-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল ইরান আগামীকাল উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে নেওয়া হবে সিঙ্গাপুর মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণ ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবার হাদির খুনিদের পালাতে সহায়তাকারীকে গ্রেপ্তার করল ভারত ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করল বিএসসিএল ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: ডিসি আমিনুল এত ক্যাডেট ও ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা লইয়া আমরা কী করিব?

নির্বাচন সময়মতো না-ও হতে পারে; তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন জরুরি: তাহের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সময়মতো না-ও হতে পারে, তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কমনওয়েলথের ‘ইলেকটোরাল সাপোর্ট’ শাখার উপদেষ্টা ও ‘প্রি-ইলেকশন অ্যাসেসমেন্ট’ প্রধান লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফররত প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তাহের বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যা যা প্রস্তুতি দরকার, জামায়াত তার সবকিছুই সম্পন্ন করেছে। এবারের নির্বাচন সাধারণ কোনো নির্বাচন নয়—এটি হতে হবে উৎসবমুখর ও বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রস্তাব দিয়েছে—গণভোটের মাধ্যমে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা উচিত। এনসিসির প্রস্তাব দ্রুত কার্যকর করে একটি আদেশের ভিত্তিতে গণভোট আয়োজন করতে হবে।’

জামায়াত নেতা মনে করেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটই যথার্থ পদক্ষেপ। নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তাহেরের ভাষায়, ‘জুলাই সনদ এত গুরুত্বপূর্ণ যে কিছু অর্থ ব্যয় করেও এটি গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতেও এ চাপ বজায় থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাবসহ সব বাহিনীর স্থায়ী অবস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অতীতে এসব বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করেছে, এবার তাদের স্থায়ীভাবে মাঠে থাকতে হবে।’

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ