রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাতের বিধান চালু করে গরিব ও অসহায় মানুষের ক্ষুধা-দারিদ্রতা দূর করার আহ্বনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে রাজশাহী-১ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, আল্লাহ তা’আলা আপনাদের যেহেতু ক্ষমতা দিয়েছেন রাষ্ট্র পরিচালনার, আপনার রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজের ব্যাপারে জোর তাগিদ দিন। রাষ্ট্রীয়ভাবে জাকাত আদায়ের ব্যবস্থা করে মানুষের ক্ষুধা-দারিদ্রতা দূর করার ব্যবস্থা করুন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, সংবিধানে ছিল- ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসই হইবে সকল কার্যাবলীর ভিত্তি।’ কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সেটা বাতিল করা হয়। বাংলাদেশে শতকরা ৯০ জন মুসলমান। আল্লাহর প্রতি যারা ইমান এনেছে তারা ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে। যারা নামাজ আদায় করে দেশের মানুষ তাদের সম্মান করে, তাদের সৎ বলে জানে এবং তাদের উপর আস্থা রাখে। সংবিধানেও এটাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তা’আলা কুরআন মজিদে নামাজের কথা ৮৪ বার বলেছেন। নামাজের সাথে সাথে জাকাত আদায়ের কথাও বলা হয়েছে। মানুষের চরিত্র ভালো করার জন্য নামাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যাকাত আদায় করার মাধ্যমে ক্ষুধা দারিদ্র এবং বেকারত্ব দূর হয়ে যায়। কুরআনের এই বিধান দুটি বাস্তবায়ন হওয়া উচিত।
জামায়াতের এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, আমরা সবাই একদিন মরে যাব। কেউ আর ১০০ বছর বাঁচব না। মৃত্যুর পর আমাদের সবাইকে প্রথমেই নামাজের হিসেব দিতে হবে। সেদিন আমরা সবাই বিপদে পড়ে যাব। অতএব আমরা নিজেরা নামাজ পড়ি, দেশে যাতে নামাজ কায়েম হয়। আমাদের সন্তানরা যেন ৫ বছর বয়স থেকেই নামাজের প্রশিক্ষণ পায় এবং ১০ বছর হলে প্রশাসনিক ভাবে নামাজের জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজ চালু করা, জাকাতের বিধান কায়েম করা হোক। নিয়মিত নামাজ আদায় করলে নাগরিকের চরিত্র ভালো হয়ে যাবে।
এসএইচ/