শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নেপালে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪৭ ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তফসিল চায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ফাতেমাতুযযাহরা (রা.) মাদরাসার ৩০০ ছাত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল খুলে দেওয়াসহ শ্রমিক মজলিসের ১০ দাবি প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ১০ দফা দাবি সৌদিতে আরবে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন তিব্বতে নতুন করে বাঁধে ভাঙ্গন, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল নেপাল ও চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু আইনজীবীদের পেশাগত মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করার চিন্তা সরকারের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একইসঙ্গে স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি বাতিলের সমালোচনার জবাব দিয়ে তিনি বলেছেন, লটারি কখনোই মেধাবী ও অমেধাবী নির্ধারণ করতে পারে না এবং এটি ধনী-গরিবের বৈষম্যও কমায় না।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি কমিশন গঠন করা যেতে পারে। সেই কমিশনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন করা হলে শিক্ষাব্যবস্থার আরও উন্নতি সম্ভব। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কী শেখানো হবে এটাই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকরা যথাযথভাবে পাঠদান না করায় অভিভাবকেরা সন্তানদের জন্য বাসায় আলাদা শিক্ষক রাখেন কিংবা কোচিং সেন্টারে পাঠান। এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি বাতিল নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, এ বিষয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, এতে ধনী-গরিবের বৈষম্য তৈরি হয়েছে। তবে আমার মতে, লটারি পদ্ধতি কখনোই মেধার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারে না এবং এটি বৈষম্য কমাতেও কার্যকর নয়। লটারির মাধ্যমে ভর্তি হলেও বাস্তবে কতজন শিক্ষার্থী প্রকৃতভাবে লটারিতে সুযোগ পেয়েছে এবং কতজন তদবির বা পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে ভর্তি হয়েছে—সে বিষয়ে তার কাছে তথ্য রয়েছে। তাই আমি মনে করেন, লটারি পদ্ধতি স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা দেয় না।

শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশের সব জায়গাতেই ভালো স্কুল রয়েছে। তাহলে কেন অভিভাবকেরা নিজেদের এলাকার স্কুলে সন্তানদের ভর্তি না করিয়ে অন্যত্র পাঠাতে চান? এর জন্য শিক্ষকরা দায়ী কি না?

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির। এতে বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ