সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘আগামী গ্রীষ্মের মধ্যে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য’ ফাজিল-কামিল মাদরাসার গভর্নিং বডি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত নবীজি (সা.) প্রতি মাসে কয়টি নফল রোজা রাখতেন? বনানীতে আগুনে দগ্ধ ফিলিপাইন নাগরিকের মৃত্যু ‘আন্দোলনের নামে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে’ চট্টগ্রামের প্রবীণ আলেম শাহ সুলতান আহমদের ইন্তেকাল প্রফেসর হজরত হামীদুর রহমান রহ.-এর চলে যাওয়ার তিন বছর ‘ক্ষমতার ভাগ নয়, দেশ ও মানুষের কল্যাণই ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য’ আলিয়া মাদ্রাসায় নিয়মিত ক্রীড়া অনুশীলন ও প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশনা

বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিত করল সংসদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৬ রহিতকরণ বিল সংসদে পাস হয়েছে।

৬ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারক নিয়োগের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল করতে জাতীয় সংসদে বিল তোলা হয়। এ ছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করতে অন্তর্বর্তী সরকারের করা অধ্যাদেশ বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলন করতে আরেকটি বিল আনা হয়।

ওইদিন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জাতীয় সংসদে পৃথকভাবে ওই তিনটি বিল উত্থাপন করেন। বিল তিনটি নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়।

বিলগুলো হলো- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল। এ অধ্যাদেশগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে বিরোধীদলের আপত্তি ছিল।

সুপ্রিম কোর্টসংক্রান্ত বিল তোলার সময় বিরোধীদলের সদস্যরা আপত্তি জানান। ওই সময় আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, এ বিলগুলোর ক্ষেত্রে বিশেষ কমিটিতে বিরোধীদলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (আপত্তি) ছিল। তিনি এখন সংসদে বিলগুলো শুধু উত্থাপন করছেন। তিনি স্পিকারকে অনুরোধ করেন, পরে যেন বিলগুলো বিতর্কের জন্য রাখা হয়।

সাতটি বিল পাস-

বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা বাড়িয়ে করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধন) বিলসহ সাতটি বিল আজ পাস করেছে জাতীয় সংসদ। বিলগুলো নিয়ে সংসদে কোনো আলোচনা হয়নি। এর মধ্যে ছয়টি বিলে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোকে অনুমোদন দেওয় হয়। আরেকটি বিলের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ রহিত করা হয়।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান পৃথকভাবে রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) বিল, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) বিল, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) বিল, ভোটার তালিকা (সংশোধন) বিল, জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) রহিতকরণ বিল, বাংলাদেশ ল’ অফিসার্স (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল পাসের জন্য উত্থাপন করেন। কোনো সংশোধনী না থাকায় বিলগুলো দফাওয়ারি সরাসরি ভোটে দেন স্পিকার। কণ্ঠভোটে বিলগুলো পাস হয়।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ