বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৩ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাইয়ের প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি: ছাত্র জমিয়ত নরসিংদীতে মাটির ঘর ধ্বসে শিশুর মৃত্যু অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ‘ভূমিধসে নারী-শিশুর মৃত্যু বেদনাদায়ক, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে’ ভারী বৃষ্টিপাতে ৪ বিভাগে বন্যার আশঙ্কা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের কার্যক্রম চলমান কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিহতের ঘোষণা ইত্তেফাক শিক্ষা বোর্ডের হাফেজিয়া বোর্ড গঠন ‘আইনবিরোধী’, সরকারি সভায় অংশ নিচ্ছে না হাইআতুল উলয়া ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫১ এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে গুজব থেকে বিরত থাকার আহ্বান আন্তশিক্ষা বোর্ডের

শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

শিক্ষাখাতকে ইবাদতখানা এবং শিক্ষাদানের কাজ সদকায়ে জারিয়া হিসেবে উল্লেখ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে সৃষ্ট প্রতিটি ভালো ফলাফল; বিশেষ করে শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত। এটি শিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত করবে। এজন্য শিক্ষার প্রতিটি ভালো কাজকে সদকায়ে জারিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির কাইরোপ্রাকটিক চিকিৎসক (মেরুদণ্ড, ঘাড়, পিঠ, কোমর ও স্নায়ুতন্ত্র বিশেষজ্ঞ), যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন। শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ড সোজা রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপরই বর্তায়। নানান সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গঠনের যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তা কোনো ব্যক্তি বা সরকারের একক এজেন্ডা নয়; বরং এটি একটি জাতীয় অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষকদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজেদের শিক্ষার্থীদের সন্তানতুল্য মনে করে তাদের গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা; বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এ দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ। এ বিষয়ে কার্যকর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকে যেন লিখিতভাবে তাদের সুপারিশ জমা দেন, যাতে ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও উন্নত করা যায়। শিক্ষকদের মতামত ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

দেশের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষকদের সম্মিলিত ও গঠনমূলক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, অতীতের সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সবাইকে আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ