সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সময়মতো টাকা জমা না দিলে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন বাতিল: হাব নারী শিক্ষা প্রশ্নে তালেবানের নীতিকে সমর্থন ডা. জাকির নায়েকের আল-ইবরাহিমি মসজিদ: দুই সহস্র বছরের ইতিহাস, স্থাপত্য ও দখলের ক্ষত এক বছর পর খুলে দেওয়া হলো খিলগাঁও কবরস্থান মসজিদ পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিন: খেলাফত মজলিস পবিত্র কাবার ভেতরে নামাজ আদায় করলেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে স্বাগত, আমাদের শায়খুল ইসলাম! মুফতি গোলাম মাওলা রহ.-এর স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকচাপায় দুই বৃদ্ধ নিহত ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিদায়বেলার স্মৃতিচারণ করলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন দায়িত্ব ছাড়ার বেশ কয়েক দিন পর ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে বিদায়ের স্মৃতিচারণ করেছেন।

গতকাল রোববার (১৫ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে তার নিরাপত্তায় থাকা পুলিশের আন্তরিকতা ও মানবিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা।

পোস্টে ড. খালিদ হোসেন লিখেছেন, দীর্ঘ ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এরপর প্রশাসনিক ব্যস্ততা শেষ করে ২০ ফেব্রুয়ারি সরকারি বাসভবন ‘কলতান’ পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে বুঝিয়ে দেন এবং সেদিনই চট্টগ্রামের উদ্দেশে বিমানবন্দরের পথে রওনা হন।

তিনি লেখেন, প্রশাসনিক দায়িত্বের সমাপ্তি যেন একটি অধ্যায়ের অবসান। তবে সেই অবসানের মধ্যেই নানা স্মৃতি ও অনুভূতির ঢেউ জেগে ওঠে।

দায়িত্ব পালনের সময় তার প্রটোকলে সবসময় ১২ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত ছিলেন বলে উল্লেখ করেন খালিদ হোসেন। এর মধ্যে ছয়জন সরকারি বাসভবনে দায়িত্ব পালন করতেন এবং বাকি ছয়জন একটি পৃথক জীপে তার সঙ্গে থেকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেন।

দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করার ফলে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে একটি মানবিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলেও জানান তিনি।

সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা লিখেছেন, বিদায়ের দিন সেই পুলিশ সদস্যদের একটি দল এসে তাকে বিদায় জানায়। সেই মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন। অনেকের চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রু তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করে। তিনি বলেন, কর্তব্যের সম্পর্ক কখন যে নিঃশব্দে হৃদয়ের বন্ধনে রূপ নেয়, বিদায়ের সেই দৃশ্য যেন তারই এক নীরব সাক্ষ্য হয়ে থাকে।

পোস্টের শেষাংশে আ ফ ম খালিদ হোসেন আরও লেখেন, জীবনের দীর্ঘ পথচলায় হয়তো তাদের সঙ্গে আর কখনো দেখা হওয়ার সুযোগ হবে না। তবে তাদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা এবং নীরব সেবার স্মৃতি তার হৃদয়ে দীর্ঘদিন অম্লান হয়ে থাকবে।

বিদায়ের সেই ক্ষণিক মুহূর্ত মানুষের জীবনে দায়িত্বের চেয়েও সম্পর্কের উষ্ণতাই শেষ পর্যন্ত বেশি স্থায়ী হয়ে থাকে—এমন উপলব্ধির কথাও তুলে ধরেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ