বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৩ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ‘ভূমিধসে নারী-শিশুর মৃত্যু বেদনাদায়ক, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে’ ভারি বৃষ্টিপাতে ৪ বিভাগে বন্যার আশঙ্কা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের কার্যক্রম চলমান কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিহতের ঘোষণা ইত্তেফাক শিক্ষা বোর্ডের হাফেজিয়া বোর্ড গঠন ‘আইনবিরোধী’, সরকারি সভায় অংশ নিচ্ছে না হাইআতুল উলয়া ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫১ এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে গুজব থেকে বিরত থাকার আহ্বান আন্তশিক্ষা বোর্ডের শাহ জালাল বিমানবন্দরে বিনা মূল্যের শাটল সার্ভিস চালু জকিগঞ্জের প্রবীণ আলেমের মৃত্যুতে জমিয়ত সভাপতির শোক

বিদায়বেলার স্মৃতিচারণ করলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন দায়িত্ব ছাড়ার বেশ কয়েক দিন পর ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে বিদায়ের স্মৃতিচারণ করেছেন।

গতকাল রোববার (১৫ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে তার নিরাপত্তায় থাকা পুলিশের আন্তরিকতা ও মানবিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা।

পোস্টে ড. খালিদ হোসেন লিখেছেন, দীর্ঘ ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এরপর প্রশাসনিক ব্যস্ততা শেষ করে ২০ ফেব্রুয়ারি সরকারি বাসভবন ‘কলতান’ পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে বুঝিয়ে দেন এবং সেদিনই চট্টগ্রামের উদ্দেশে বিমানবন্দরের পথে রওনা হন।

তিনি লেখেন, প্রশাসনিক দায়িত্বের সমাপ্তি যেন একটি অধ্যায়ের অবসান। তবে সেই অবসানের মধ্যেই নানা স্মৃতি ও অনুভূতির ঢেউ জেগে ওঠে।

দায়িত্ব পালনের সময় তার প্রটোকলে সবসময় ১২ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত ছিলেন বলে উল্লেখ করেন খালিদ হোসেন। এর মধ্যে ছয়জন সরকারি বাসভবনে দায়িত্ব পালন করতেন এবং বাকি ছয়জন একটি পৃথক জীপে তার সঙ্গে থেকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেন।

দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করার ফলে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে একটি মানবিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলেও জানান তিনি।

সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা লিখেছেন, বিদায়ের দিন সেই পুলিশ সদস্যদের একটি দল এসে তাকে বিদায় জানায়। সেই মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন। অনেকের চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রু তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করে। তিনি বলেন, কর্তব্যের সম্পর্ক কখন যে নিঃশব্দে হৃদয়ের বন্ধনে রূপ নেয়, বিদায়ের সেই দৃশ্য যেন তারই এক নীরব সাক্ষ্য হয়ে থাকে।

পোস্টের শেষাংশে আ ফ ম খালিদ হোসেন আরও লেখেন, জীবনের দীর্ঘ পথচলায় হয়তো তাদের সঙ্গে আর কখনো দেখা হওয়ার সুযোগ হবে না। তবে তাদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা এবং নীরব সেবার স্মৃতি তার হৃদয়ে দীর্ঘদিন অম্লান হয়ে থাকবে।

বিদায়ের সেই ক্ষণিক মুহূর্ত মানুষের জীবনে দায়িত্বের চেয়েও সম্পর্কের উষ্ণতাই শেষ পর্যন্ত বেশি স্থায়ী হয়ে থাকে—এমন উপলব্ধির কথাও তুলে ধরেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ