রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ।। ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ছাড়া জনপ্রত্যাশা পূরণ হবে না: আমিরে মজলিস আমরা ঘৃণার ঝড়ের মধ্যে ভালোবাসার প্রদীপ জ্বালাতে চাই: মাওলানা আরশাদ মাদানী কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করায় আমানাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ভারতের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু  ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে! জমিয়তের খাস কমিটির বৈঠক, ত্রাণ ফান্ডে সহযোগিতার আহ্বান ‘ইসলামি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে’ ইসলামী আন্দোলনের লালমনিরহাট জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘জুলাই চেতনার কথা বলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চালানো দ্বিচারিতা’ বন্যা দুর্গতদের পাশে আলেম, ইসলামি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো

‘বিনা দোষে’ ১১ বছর কারাভোগ, অবশেষে মুক্ত মাওলানা আকবার হুসাইন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দেশের ঐতিহ্যবাহী দীনি প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম মাদানীনগর মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা আকবার হুসাইন অবশেষে কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেছেন। প্রায় ১১ বছর কারাভোগের পর তিনি বুধবার (২৮ মে) মুক্তি লাভ করেন। 

আলোচিত রমনা বটমূলের মামলায় মাওলানা আকবার হুসাইনকে আসামি করা হয়েছিল। তাঁর পরিবার, ছাত্র এবং ভক্ত-অনুরাগীরা জানান, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁকে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। বিনা দোষে তিনি ১১ বছরের বেশি সময় কারাভোগ করেছেন। 

মাওলানা আকবার হুসাইন মাদানীনগর মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম ও মুহাদ্দিস ছিলেন। তিনি এই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইদ্রিস রহ.-এর জামাতা। ২০১৪ সালে তাঁকে হঠাৎ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২০০১ সালে রমনা বটমূলে বোমা হামলার ঘটনার মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়।

সেই মামলায় তাঁর ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছিল আদালত। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আদালতে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হয়। উচ্চ আদালতের রায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড থেকে সাজা কমিয়ে ১০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। যেহেতু তিনি ইতোমধ্যে এই পরিমাণ কারাভোগ করেছেন এজন্য মুক্তি লাভ করেছেন।  

সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে রাজধানীর কাকরাইল মোড় থেকে মাওলানা আকবার হুসাইনসহ চারজনকে কালো কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের ছয় মাসের মাথায় সবাই ছাড়া পেলেও আকবার হুসাইনকে রমনা বটমূলের বোমা হামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
 
জানা যায়, তিনি মূলত ষড়যন্ত্রের শিকার। রমনা বটমূলের ঘটনার সঙ্গে তাঁর দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। চেনা-পরিচিত কেউ একজন পুলিশের মাধ্যমে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এর সঙ্গে জড়িয়ে দেন। 

এদিকে বুধবার (২৮ মে) মাওলানা আকবার হুসাইন কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁর স্বজন, ছাত্র ও ভক্তদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর এই মুক্তির জন্য শোকরিয়া আদায় করেন। আর কোনো নিরীহ আলেম যেন এভাবে ষড়যন্ত্রের শিকার না হন সেই প্রত্যাশা করেন সবাই।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ