মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ভুল দুই প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের পক্ষে সই কাতারের সাবেক আমিরের ইন্তেকালে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন আমিরে মজলিস

গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখতে কাজ চলছে: উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, সারাদেশে যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাৎ বরণ করেছেন তাদের জন্য বিভিন্ন জায়গায় স্মৃতি চিহ্ন তৈরি করছে সরকার। যাতে আগামী প্রজন্ম শহীদদের অবদানের কথা স্মরণ করতে পারে।

শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েকে জুলাই গণআন্দোলনের শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়ক নামকরণ ও টোল আদায় কার্যক্রম উদ্বোধন করার সময় তিনি এ কথা বলেন।

এসময় আদিলুর রহমান খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে জুলাই স্মৃতি ফলক উদ্বোধন শুরু হয়েছে। এর ফলে সারাদেশের মানুষ ও আগামী প্রজন্ম তাদের অবদানের কথা স্মরণ করতে পারবে।

‘আর চট্টগ্রামের মানুষ যেভাবে আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন পরবর্তী প্রজন্ম যাতে সবসময় তাদের স্মরণ করতে পারে আমরা সেই উদ্যোগ চালিয়ে যাব,’ বলেন তিনি।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টোল আদায় কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এটি ব্যবহার করতে টাকা দিতে হচ্ছে। নগরের পতেঙ্গা প্রান্তে টোল আদায় করা হবে এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এই টোল আদায় করবে। পরে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হবে। চূড়ান্ত হওয়া টোলের হার অনুযায়ী সিএনজি অটোরিকশা পারাপারে দিতে হবে ৩০ টাকা, প্রাইভেটকারকে দিতে হবে ৮০ টাকা, জিপ ও মাইক্রোবাসের জন্য টোলের হার ১০০ টাকা। পিকআপ ট্রাক ১৫০ টাকা, মিনি বাস ও ট্রাক থেকে ২০০ টাকা করে এবং বাস থেকে আদায় করা হবে ২৮০ টাকা।

২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ সাত বছরেও পুরোপুরি শেষ করতে পারেনি সিডিএ। উড়াল সড়কে ওঠা-নামার জন্য ১৫টি র‌্যাম্প নির্মাণ করার কথা থাকলেও সরকার পরিবর্তনের পর বাদ দেয়া হয়েছে পাঁচটি। বাকি ৯টির মধ্যে একটির কাজ শেষ হয়েছে। অন্য আরেকটি র‌্যাম্পের কাজ চলমান আছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ৪ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এ উড়াল সেতু নির্মাণ করে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম প্রমুখ।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ