সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আল্লাহর আইনের বিরুদ্ধে আইন করার এখতিয়ার কারো নেই’ ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করার আহ্বান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের জেলা ও মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ হামলা  শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী ‘আদালতের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল-ধর্মঘট নিষিদ্ধ জুলাই চেতনার পরিপন্থী’ ব্রিটিশ বাংলাদেশি মুসলিমদের প্রশংসা দ্য ইকোনমিস্টের ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজর ৭৩৩ ‘জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না’  ‘মুমিনের অন্তরে নবীজির জীবনাদর্শের চেতনা সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে’

রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মহানবীর (সা.) আদর্শের বিকল্প নেই: ধর্ম উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

সুন্দর সমাজ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে রাসুলের (সা.) আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

তিনি বলেছেন, হজরত মুহাম্মদ (সা.) হলেন সর্বোত্তম আদর্শের অধিকারী। আমরা যদি মানবতার মুক্তি, সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রকে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাই তাহলে রাসুলের (সা.) আদর্শের বিকল্প নেই।

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৬ হিজরি উপলক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ধর্ম উপদেষ্টা।

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, আল্লাহর রাসুলের প্রত্যেকটি কাজ অত্যন্ত যৌক্তিক। আমরা যদি প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদের (সা.) জীবনাদর্শ ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে মেনে চলি, তাহলে আমাদের পার্থিব ও পরকালীন জীবন সফলতায় ভরে উঠবে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রিয় নবী তার যাপিত জীবনে মানুষের অধিকার দিয়েছেন। তিনিই সর্বপ্রথম মানুষের অধিকার ঘোষণা করেন।

এ সময় হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে ড. খালিদ বলেন, মহানবী (সা.) ঘোষণা করেন, আরবের ওপর অনারবের কিংবা অনারবের ওপর আরবের, সাদার ওপর কালোর কিংবা কালোর ওপর সাদার আলাদা কোনো মর্যাদা নেই। যে মানুষের অন্তরে আল্লাহ ভীতি আছে, সে-ই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে দামি।

তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য নিয়েও মহানবী (সা.) আমাদেরকে নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তিনটি জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করতে নবী করিম (সা.) নিষেধ করেছেন। প্রবহমান নদীর কিনারে, রাস্তায় ও গাছের ছায়ায় প্রস্রাব-পায়খানা করলে পরিবেশ দূষিত হয়। এ ছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় হজরত মুহাম্মদ (সা.) গাছ রোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করে গেছেন।

আগামী দিনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে মহানবী হজরত মুহাম্মদের (সা.) জীবনী আরও উন্নতভাবে প্রকাশ করা হবে বলেও এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন ধর্ম উপদেষ্টা।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ