শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪ ।। ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ ।। ১৩ মহর্‌রম ১৪৪৬


‘বন্যার্ত মানুষ খাদ্য অর্থ ওষুধ চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে হাহাকার করছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ই্উনুছ আহমাদ বলেছেন, সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে সিলেট অঞ্চলে প্রতিবছর বন্যা হয়ে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পরছেন এ অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষ। তিনি বলেন, বৃহত্তর সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে পানিবন্দী মানুষের কাছে এখনো কোনো ত্রাণ পৌঁছায়নি। যা চরম উদ্বেগজনক। তিনি উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা প্রবল সৃষ্ট বন্যায় পানিবন্দিদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় এবং দুর্গত এলাকায় খাদ্য সামগ্রী, অর্থ, ওষুধ এবং চিকিৎসাসামগ্রী ও চিকিৎসক দল পাঠানোর জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।

আজ শুক্রবার সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যশোর জেলার নওয়াপাড়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে নওয়াপাড়া  ইনস্টিটিউট অডিটরিয়মে অনুষ্ঠিত থানা সদস্য সম্মেনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল আউয়াল পীর সাহেব খুলনা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল মজিদ পীর সাহেব মোড়লগঞ্জ, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব হোসেন। যশোর জেলা সভাপতি মিয়া মো. আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এবং মুফতী আবু রায়হান ও মো. আব্দুল করিমের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে জেলা ও থানা নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, সিলেটে হাওর উন্নয়নের নামে চলছে অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ড। বাঁধ দিয়ে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। যে কারণে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের ভুল নীতির খেসারত দিতে হচ্ছে বন্যা উপদ্রুত মানুষদের।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, দুর্বৃত্ত, সন্ত্রাসী আর সিন্ডিকেটের অয়ারণ্যে দেশ।  এজন্য কোরবানির পশুর চামড়া এবার বিক্রি হয়নি। আড়তদারেরা কোরবানির পশুর চামড়া ফিরিয়ে দিয়েছেন। এটাও সিন্ডিকেটের কারসাজি। গরিবের হককে বঞ্চিত করে সিন্ডিকেটওয়ালারা কৌশলে চামড়াকে মূল্যহীন করেছে। ফলে দেশের গরিব, অসহায় এবং কওমী মাদরাসাগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যখন কোন জবাবদিহি থাকে না, তখন সব খাতই সরকারের দোসর সিন্ডিকেটরা নিয়ন্ত্রণ করে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ