শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ১১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘আমরা বিদায় নিতে প্রস্তুত, অনেক উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন’ শেরপুরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ইউএনও–ওসি প্রত্যাহার এআই ব্যবহৃত কোরআনের ব্যাখ্যা অগ্রহণযোগ্য, মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি দ্বিতীয়বারের মতো চাঁটিগাও বিজয় দিবস পালিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনকালীন ছুটি বাস্তবায়নে চিঠি তাইসির থেকে তাকমিল পর্যন্ত ভর্তি নিচ্ছে জামেআ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, প্রার্থীকে বহিষ্কার করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ‘একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে ইমামদের ভূমিকা অনস্বীকার্য’ ৫৪ বছরের ব্যর্থতার পরে ইসলামকে সুযোগ দিন: পীর সাহেব চরমোনাই ফাজিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৯৩.৬৩ শতাংশ

ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত ছবি

জি-২০ সম্মেলন উপলক্ষে তিন দিনের ভারত সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৩৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে রোববার স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে ঢাকার পথে যাত্রা শুরু করেন শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান ভারতের বা‌ণিজ্য প্রতিমন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে গত শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিল্লি যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন সন্ধ্যায় দেশটির প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)– কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা, সংস্কৃতি বিনিময়, বাংলাদেশি টাকা এবং ভারতীয় রুপি (দুই দেশের সাধারণ মানুষ)-এর মধ্যে লেনদেন সহজ করার বিষয় স্বাক্ষরিত হয়।

৯ সেপ্টেম্বর জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিন্ন ভিন্ন অধিবেশনে যোগ দেন এবং শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ওয়ান আর্থ, ওয়ান ফ্যামিলি, ওয়ান ফিউচার’ শীর্ষক দুটি বক্তব্য দেন।

‘ওয়ান আর্থ’ ও ‘ওয়ান ফ্যামিলি’ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, কোভিড মহামারির পর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, ইউরোপে যুদ্ধের ফলে জ্বালানি, খাদ্য ও সারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার মতো চ্যালেঞ্জগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা যায় তা তুলে ধরেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের মেয়াদকালে বিভিন্ন আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য সাফল্যের অভিজ্ঞতা বিশ্ব নেতাদের কাছে উপস্থাপন করেন।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো অ্যাঞ্জেল ফার্নান্দেজ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

জি-২০ সম্মেলনের দ্বিতীয় ও শেষ দিন ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দেশের নেতাদের সঙ্গে রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে এবার মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশসহ মোট নয়টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ