বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নিউইয়র্কের আইনসভায় ইতিহাস গড়লেন হিজাবি নারী আবের কাওয়াস যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হলেন আব্দুল আল-সাইয়েদ মাওলানা মনির হোসেন কাসেমী ডেঙ্গু আক্রান্ত, দোয়া কামনা ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়ল ৩ হাজার ৩২৪ টাকা প্রায় ২০০ বছর আগে চুরি হয়ে গিয়েছিল মসজিদুল হারামের দুষ্প্রাপ্য ৮টি পাথর ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো: মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পালটাপালটি ধাওয়া বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে আজও চলছে শ্রমিক বিক্ষোভ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া যেভাবে দোয়া করলে আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না

প্রায় ২০০ বছর আগে চুরি হয়ে গিয়েছিল মসজিদুল হারামের দুষ্প্রাপ্য ৮টি পাথর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ইমরান ওবাইদ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মসজিদুল হারামের দরজার ডানপাশে শাআজারওয়ানের নিচে রয়েছে ঐতিহাসিক দুষ্প্রাপ্য আটটি পাথর। হারামের নিকটে গেলে যেকোরো নজর কাড়ে পাথরগুলো। হলুদ-বাদামি রঙের ছোট মার্বেল বা অ্যালাবাস্টার পাথরগুলোকে সম্মিলিতভাবে মুসাল্লা জিবরীল বা মেরি স্টোন বলা হয়। এই পাথরগুলোর সঙ্গে রয়েছে ২০০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়ার এক বিরল ইতিহাস।

১২১৩ হিজরি সনে এই মার্বেল পাথরগুলো চুরি হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর এক অজ্ঞাতনামা মৃত ব্যক্তির লাশের পাশ থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ১৩৭৭ হিজরি সনে পাথরগুলোকে সযত্নে পুনরায় কাবা শরিফে প্রতিস্থাপন করা হয়।

'মেরি স্টোন' নামে পরিচিত এই পাথরগুলো প্রায় ৮০৭ বছরের পুরোনো। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ৬৩১ হিজরি সনে বিশিষ্ট মুসলিম শাসক আবু জাফর আল-মনসুর এই পাথরের টুকরোগুলো মসজিদুল হারামে দান করেছিলেন। এর ঈষৎ হলদে-বাদামি রঙের কারণে পুরো বিশ্বে এটি অত্যন্ত দুর্লভ মার্বেল পাথর হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই আটটি পাথরের মধ্যে সবচেয়ে বড় টুকরোটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ প্রায় ২১ সেন্টিমিটার। এই পাথরগুলো কাবার সেই স্থানে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে হযরত জিবরাইল (আ.) স্বয়ং উপস্থিত হয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নামাজের নিয়ম-কানুন শিক্ষা দিয়েছিলেন।

হাদিসে বর্ণিত আছে, নবীজি (সা.) বলেছেন, ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) মসজিদুল হারামে তাঁকে সালাতের ইমামতি করেছিলেন। জিবরাইল (আ.) তাঁর সঙ্গে আসর, মাগরিব, এশা ও ফজর সালাত আদায় করেন। এরপরের দিন তিনি জোহর সালাতসহ নির্দিষ্ট সময়ে সব ওয়াক্তের সালাত শিক্ষা দেন।

সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ