বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার ৬৬.৩%, সরকারের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ৫৪.৫% কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক ‘মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি হামলা বিগত ফ্যাসিবাদী আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয়’ দারুল আরকামের ছাত্রদের লাঠিচার্জের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মরুর বুকে সত্যবাদী কিশোর ‘রহমতের ধর্মে তোমাকে স্বাগতম’—রবার্তো কার্লোসকে কাবার ইমামের অভিনন্দন ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৭১ গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬ টানা বৃষ্টিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত ১২ রবিউল আউয়াল উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ

শীতে ত্বকের যত্নে যেসব তেল ব্যবহার করবেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শীতে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ তুলনামূলক ভাবে কমে যায়। এ কারণে এ সময় শরীর, হাত-পা খসখসে হয়ে যায়। কারো কারো হাত-পা ফেটে রক্ত পড়া শুরু হয়। তাই শীতের সময়টায় বিশেষভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসার পর এই মিশ্রণটি না লাগিয়ে, গোসল শেষে সাথে সাথেই লাগানো উচিত। আবার রাতে এই অয়েলের মিশ্রণ লাগিয়ে ঘুমালে হাত-পা ফাটার সমস্যা থাকবে না। এই মিশ্রণটি যেকোনো ত্বকে ব্যবহার করা যাবে।

লোশন বা ক্রিমও ত্বকের জন্য ভালো। তবে  তেল ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে বেশি আর্দ্রতা জোগায়। তেলে থাকে ফ্যাটি অ্যাসিডসহ নানাবিধ উপকরণ, যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। শরীরে সঠিক পদ্ধতিতে তেল ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। তেল রোমকূপে প্রবেশ করে ত্বকে পুষ্টি জোগায়। আর ত্বকের বাইরে এক প্রকার বর্ম তৈরি করে। ফলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে, বাইরের আবহাওয়াও তেলের এই বর্ম ভেদ করে ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে না। ফলে বলিরেখা পড়ে না। পাশাপাশি, ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও টান টান।

কোন তেল বেছে নেবেন?

অর্গান অয়েল: ভিটামিন ই এবং ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ অর্গান অয়েল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে, ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধিতে সহায়ক। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতেও এই তেল সাহায্য করে।

নারকেল তেল: অ্যন্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ নারকেল তেল সারা বছরই ব্যবহার করা যায়। শুষ্ক ত্বকের জন্য এ তেল উপকারী। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ত্বকের সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে।

জোজাবা অয়েল: জবা ফুল থেকে তৈরি এই তেল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি ইলফ্লেমেটারি উপাদান। এটি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সংক্রমণ এবং প্রদাহ কমাতেও সহায়ক।

আমন্ড অয়েল: আমন্ড অয়েলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ই রয়েছে। তাই এ তেলটি ত্বক কোমল ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

এ ছাড়াও ল্যাভেন্ডার অয়েল, অলিভ অয়েলসহ বিভিন্ন তেল ব্যবহার করা যাবে। চাইলে কেউ অলিভ অয়েল, জোজোবা অয়েল বা নারকেল তেলের সঙ্গে ল্যাভেন্ডারসহ একাধিক এসেনশিয়াল অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন।

কারা ত্বকে তেল ব্যবহার করবেন-

যাদের ত্বক অত্যন্ত শুষ্ক, নখ দিয়ে হাতে বা পায়ে আঁচড় কাটলে সাদা দাগ হয়ে যায়, তারা ত্বকে তেল মালিশ করবেন। এক্ষেত্রে অ্যাভোকাডো, নারকেল, অলিভ কিংবা আমন্ড অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। স্বাভাবিক ত্বকেও তেল ব্যবহার করতে পারবেন। তবে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা তেল এড়িয়ে যেতে পারেন।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ