|| মাওলানা মাসউদ হাসান ||
চারিত্রিক গুণাবলির অন্যতম হলো বিনয়। বিনয় বন্দেগী ও দাসত্বের বহিঃপ্রকাশ। এ দাসত্বের গুণ যে যত বেশি অর্জন করতে পারে, সে নিজেকে ততটাই মহান প্রভুর সামনে ক্ষুদ্র ও তুচ্ছ হিসাবে পেশ করতে পারে। খাঁটি বান্দা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে যে, আমার যা কৃতিত্ব, এর কোনটাই আমার নয়। সবকিছু আমার প্রতি মহান আল্লাহ তায়ালার দয়া ও দান। আমার যা কিছু অর্জন, এর কিছুই আমার উপার্জন নয়, বরং সবই রব্বে কারীমের করুণা ও অনুগ্রহ। দুনিয়াতে প্রাপ্ত সবকিছু যখন আল্লাহ তায়ালার দান হিসাবে কেউ মেনে নেয়, তখন অনিবার্যভাবে সে হয়ে উঠে কৃতজ্ঞ ও বিনয়ী। বিনয়ী ব্যক্তি নিজের উপর অন্যকে শ্রেষ্ঠ মনে করতে থাকে। বান্দা হিসাবে সে আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করে। বিনীত লোকদের পরিচয় অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে পবিত্র কুরআনের একটি আয়াতে,
وبشرالمخبتين الذين اذا ذكروا الله وجلت قلوبهم والصابرين على ما أصابهم والمقيمي الصلاة ومما رزقناهم ينفقون
অর্থ: আর (হে নবী) সুসংবাদ দাও বিনীতদেরকে। যাদের সামনে আল্লাহকে স্বরণ করা হলে তাদের অন্তর ভীত-কম্পিত হয়, যে কোনো বিপদে আক্রান্ত হলে ধৈর্যশীল থাকে এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে (আল্লাহর পথে) ব্যয় করে। (সূরা হজ্জ: ৩৪-৩৫)
এখান