বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী যুব আন্দোলন কুমিল্লা দক্ষিণের জেলা যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘হজ ভিলেজ’ নির্মাণে মক্কায় ৪.৪ হেক্টর জমি কিনেছে ইন্দোনেশিয়া খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ২০ নভেম্বর মাদরাসাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের প্রবণতা, সতর্ক করলেন মুফতি তাকি উসমানী বদনজর থেকে সুরক্ষায় রাসূল (সা.)-এর শেখানো দোয়া মাধবপুরে শিশুদের পাঠদানে অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ  বেফাকের জরুরি শূরা বৈঠক ১২ নভেম্বর এমপি ওলিউল্লাহর নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়ায় গেল ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধি দল মেধাবীদের বিদেশমুখী হওয়ার দায় রাষ্ট্রেরও: শায়খ আহমাদুল্লাহ চরমোনাই মাহফিল ঘিরে বরিশালে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সভা

মাদরাসাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের প্রবণতা, সতর্ক করলেন মুফতি তাকি উসমানী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদরাসাকে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করার প্রবণতা থেকে সতর্ক করেছেন পাকিস্তানের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও প্রখ্যাত আলেম মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানী। তিনি বলেছেন, মাদরাসার স্বতন্ত্র পরিচয় ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠানের ঐতিহাসিক পরিচয় ও বিশেষ বৈশিষ্ট্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দারুল উলুম করাচিতে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মাদরাসাগুলোর মুহতামিমদের এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি তাকি উসমানী বলেন, বর্তমানে একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে—মাদরাসাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে হবে। অনেকের মধ্যেই এ বিষয়ে প্রবল আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। কিন্তু মাদরাসাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করাই যে উন্নতির একমাত্র পথ, বিষয়টি এমন নয়। বরং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিচয়, ঐতিহ্য ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে নিজের জীবনের একটি স্মৃতি তুলে ধরেন তিনি। মুফতি তাকি উসমানী জানান, দারুল উলুম করাচির মজলিসে শূরার সদস্য ও কোষাধ্যক্ষ মরহুম হাকিম মুহাম্মদ সাঈদ একবার তাঁকে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। হাকিম মুহাম্মদ সাঈদ যখন সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন, তখন তিনি মুফতি তাকি উসমানীর বড় ভাই মুফতি রাফী উসমানী রহ.-কে বলেছিলেন, ‘দেখুন, আমি এখন গভর্নর। চাইলে আপনাদের প্রতিষ্ঠানকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সনদ দিতে পারি। এ সুযোগ কাজে লাগান। আমরা দারুল উলুমকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সনদ দিতে প্রস্তুত।’

মুফতি তাকি উসমানী বলেন, প্রস্তাবটি পাওয়ার পর তাঁরা দুই ভাই পরস্পর পরামর্শ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, দারুল উলুমকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করবেন না; বরং প্রতিষ্ঠানটিকে দারুল উলুম হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত রাখতে চান।

এর পেছনে তাদের প্রধান বিবেচনা ছিল দারুল উলুম দেওবন্দের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও পরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখা। তাদের আশঙ্কা ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হলে প্রতিষ্ঠানটির স্বতন্ত্র দেওবন্দি পরিচয় ও ঐতিহ্যবাহী নিসবত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ