শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার আহ্বান হেফাজতের রাতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আমিরে মজলিস হাফেজাদের যথাযথ পরিচর্যায় গড়ে তুলতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন আস-সুন্নাহর সহায়তায় মেহেদীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদিতে আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী, বিশেষ ফ্লাইট চাইলেন ওয়াইসি হাটহাজারীতে তিন দিনের তাফসির মাহফিল সফল করার আহ্বান আল-আমিন সংস্থার ৯২ বছর বয়সেও নিয়মিত মসজিদে যান বসনিয়ার বৃদ্ধ আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ: গাজী আতাউর রহমান ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো আরও ৪ জনের

যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব: আইআরজিসি উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদনের সরবরাহব্যবস্থা এখনো সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। যতদিন প্রয়োজন, আমরা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বালালি। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কোনো খাত নিয়েই ইরানের উদ্বেগ নেই। 

শনিবার (৩ অক্টোবর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে বালালি এসব কথা বলেন। 

ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদান দেশের ভেতরেই উৎপাদন করা হয়। এসব উপাদান রফতানিও করা সম্ভব।

বালালি আরও বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়নে নতুনত্ব আনার ক্ষেত্রে ইরান নিজস্ব সক্ষমতা ও সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার ওপর নির্ভর করে। এ খাতে দেশটি এমন পরিপক্বতা অর্জন করেছে যে এখন আর বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

তার ভাষ্য, আমরা নিজেরাই এসব ব্যবস্থার নকশা তৈরি করি ও উৎপাদন করি। একই সঙ্গে অভিযানের প্রয়োজনীয়তাও বুঝি। এ কারণে আমরা নিয়মিত নতুন উদ্ভাবনের চেষ্টা চালিয়ে যাই।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন নিয়ে বালালির এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন দেশটির সামরিক সরবরাহব্যবস্থা দুর্বল করতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

চলতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ইরানের সামরিক সরবরাহব্যবস্থায় সহায়তার অভিযোগে ইরান, হংকং ও পাকিস্তানের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় মার্কিন অর্থ দপ্তর। 

তবে বালালির বক্তব্য অনুযায়ী, এসব চাপের মধ্যেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপাদান ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রয়েছে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ