সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
১ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, নারীই ৮০ হাজার ২৮ আওয়ামী লীগের নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ ১৩ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন বেনজীরকে দেশে পাঠাতে বাংলাদেশকে আমিরাতের চিঠি অনশনরত ইবতেদায়ি শিক্ষকদের সঙ্গে সংলাপে বসুন: ইসলামী আন্দোলন সীরাতকেন্দ্রের আলাপন পর্ব-২ মঙ্গলবার, বিষয় হিজরি সন উত্তর প্রদেশে ঐতিহাসিক মসজিদের মালিকানা দাবি পুলিশ ও ওয়াকফ বোর্ডের কাবার গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুখতার ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

উত্তর প্রদেশে ঐতিহাসিক মসজিদের মালিকানা দাবি পুলিশ ও ওয়াকফ বোর্ডের


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাট জেলার খারখোদা এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক জামে মসজিদ, যা স্থানীয়ভাবে ‘থানে ওয়ালি মসজিদ’ নামে পরিচিত, তার মালিকানা নিয়ে নতুন করে বিরোধ দেখা দিয়েছে। খারখোদা থানা চত্বরে অবস্থিত এই মসজিদটি নিয়ে একদিকে পুলিশ প্রশাসন জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে, অন্যদিকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে এটি বৈধ ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি।

পুলিশের দাবি, সম্প্রতি রাজস্ব বিভাগের এক জরিপে দেখা গেছে যে মসজিদটি খারখোদা থানার নামে নিবন্ধিত জমির একটি অংশে নির্মাণ করা হয়েছে। মিরাট-বুলন্দশহর সড়কে অবস্থিত ব্রিটিশ আমলের এই থানার খতিয়ান নম্বর ১২১৭-এর আওতাধীন প্রায় ৬ হাজার ৪৫০ বর্গমিটার জমি দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ স্টেশনের মালিকানায় রয়েছে বলে রাজস্ব নথিতে উল্লেখ আছে।

জরিপের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন পুলিশ মসজিদের ইমাম আবদুল গাফফারকে সাত দিনের একটি নোটিশ প্রদান করে। নোটিশে মসজিদের বৈধ মালিকানার দলিল উপস্থাপন এবং অভিযোগকৃত অননুমোদিত স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৪ জুন রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

খারখোদা সার্কেল কর্মকর্তা প্রমোদ কুমার সিং জানান, রাজস্ব বিভাগের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে জমিটিকে থানার অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) অভিজিৎ কুমার বলেন, মসজিদটি বহু বছরের পুরোনো হলেও সাম্প্রতিক ভূমি সীমানা নির্ধারণের পর বিষয়টি সামনে এসেছে।

তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ পুলিশের অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইমাম আবদুল গাফফারের দাবি, ১৯৮৫ সাল থেকেই জমিটি ওয়াকফ বোর্ডের নামে নথিভুক্ত রয়েছে এবং এর পক্ষে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মসজিদটি একটি বৈধ ওয়াকফ সম্পত্তি।

পুলিশ প্রশাসন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষের বিপরীতমুখী দাবির কারণে বিষয়টি এখন তদন্ত ও নথিপত্র যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করছে। সাত দিনের নোটিশের মেয়াদ চলমান থাকায় এলাকাটির পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সূত্র: মুসলিম মিরর

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ