কখনো অস্ত্র ত্যাগ না-করার অঙ্গীকার করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। দলটির প্রধান নাইম কাসেম গণমাধ্যমে নিজেদের এই অঙ্গীকারের কথা প্রকাশ করে বলেছেন, আমরা মাথা নত করব না।
নাইম কাসেম বলেন, লেবাননবাসীর সামনে এখন দুটো পথ খোলা—মুক্তি ও গর্ব, অথবা দখল ও অপমান।
তিনি বলেন, আমরা লেবানন ও তার জনগণের জন্য আমাদের আত্মরক্ষামূলক প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা মার্চের আগের অবস্থায় ফিরে যাব না; আমরা ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাব দেব এবং এর মোকাবিলা চালিয়ে যাব। শত্রু যে হুমকিই দিক না কেন, আমরা পিছু হটব না, মাথা নত করব না, পরাজিত হবো না।
কাসেম আরও বলেন, ‘যে তাদের শক্তি ‘অক্ষয়’ এবং তিনি অঙ্গীকার করেন যে, ইসরায়েল লেবাননে থাকতে পারবে না এবং আমাদের জনগণ অধিকৃত ফিলিস্তিনের সঙ্গে আমাদের দক্ষিণ সীমান্তের শেষ ইঞ্চি পর্যন্ত তাদের ভূমিতে ফিরে যাবে।’
এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশু ও দুই নারীসহ ১৪ জন নিহত এবং ৩৭ জন আহত হয়েছে। এর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক মুখপাত্র দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা জারি করে লিখেছিলেন, বাসিন্দাদের অবিলম্বে সরে যেতে হবে এবং সেখানে থাকলে তাদের জীবন বিপন্ন হতে পারে।
পরে আইডিএফ জানায়, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর কর্মী ও বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ‘কামান ও বিমান হামলা’ চালিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১৯ বছর বয়সী এক আইডিএফ সৈন্য নিহত এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছে।
আইডিএফ দাবি করেছে, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে তিনটি ড্রোন পাঠিয়েছে, যা সীমান্ত অতিক্রম করার আগেই ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রতিহত করেছে।
গত ১৬ এপ্রিল ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল এবং গত বৃহস্পতিবার তিন সপ্তাহের জন্য এর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
জেডএম/
