সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

‘মুসলিম বিদ্বেষের’ সংজ্ঞা নির্ধারণ করল ব্রিটিশ সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ব্রিটিশ সরকার কয়েক মাসের পরামর্শ ও বিতর্কের পর অবশেষে ‘মুসলিম-বিদ্বেষ’ বা ‘অ্যান্টি-মুসলিম হেইট’-এর একটি নতুন সংজ্ঞা ঘোষণা করেছে।

সোমবার (৯ মার্চ) ব্রিটিশ হাউজ অব কমন্সে এই ঘোষণা দেন দেশটির আবাসন ও কমিউনিটি বিষয়ক মন্ত্রী স্টিভ রিড।

সরকার কর্তৃক গৃহীত এই অ-বিধিবদ্ধ সংজ্ঞায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, মুসলিম বা মুসলিম হিসেবে গণ্য ব্যক্তিদের প্রতি যে কোনো ধরনের অগ্রহণযোগ্য কুসংস্কার, বৈষম্য বা ঘৃণা প্রদর্শন করা হলে তা ‘মুসলিম-বিদ্বেষ’ হিসেবে গণ্য হবে।

নতুন সংজ্ঞাটি তিনটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত, যা সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি দীর্ঘ নথির অংশ। এতে বলা হয়েছে, মুসলিম-বিদ্বেষ’ হলো ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানো, সহায়তা করা বা উৎসাহিত করা—যার মধ্যে সহিংসতা, ভাঙচুর, হয়রানি বা ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত (সেটি শারীরিক, মৌখিক, লিখিত বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমের যে কোনোটি হতে পারে)—যা মুসলিমদের বিরুদ্ধে, অথবা যারা ধর্ম, জাতিগত পরিচয় বা বাহ্যিক চেহারার ভিত্তিতে ‘মুসলিম’ হিসেবে বিবেচিত হয়, তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়।

 এটি মুসলিম বা মুসলিম হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের (জাতিগত বা বর্ণগত পটভূমি বা চেহারার কারণে) প্রতি কুসংস্কারমূলক নেতিবাচক ধারণা পোষণ করা এবং তাদের কোনো ব্যক্তির নিজস্ব মতামত, বিশ্বাস বা কাজকে গুরুত্ব না দিয়ে, নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন একটি গোষ্ঠী হিসেবে চিত্রিত করার প্রবণতা, যার মূল উদ্দেশ্য তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো।

তৃতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এটি এমন এক বেআইনি বৈষম্য যেখানে সংশ্লিষ্ট আচরণ—যার মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান চর্চা বা পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ড তৈরি করা বা ব্যবহার করা অন্তর্ভুক্ত—তার লক্ষ্য হলো মুসলিমদের জনজীবনে এবং অর্থনৈতিক জীবনে সুবিধাবঞ্চিত করা।

ব্রিটিশ সরকার জোর দিয়ে বলেছে যে, এই সংজ্ঞাটি বাকস্বাধীনতার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। সরকারি নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ইসলাম ধর্ম বা কোনো ধর্মীয় বিশ্বাসকে উপহাস করা বা সমালোচনা করার অধিকার সংরক্ষিত থাকবে। মন্ত্রী স্টিভ রিড জানিয়েছেন, ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক অপরাধ এখন রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাই সরকার একটি আইনি ভিত্তি তৈরি করতে বাধ্য হয়েছে।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ