রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

ভারতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মুসলিম যুবকের স্কুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে অবৈধ মাদরাসা অভিযোগে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মুসলিম যুবকের স্কুল। সম্প্রতি মধ্য প্রদেশের বেতুল জেলার ভৈনসদেহি উপজেলার ধাবা গ্রামে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি ছোট বেসরকারি স্কুল গড়ে তুলছিলেন আবদুল নাঈম। তবে ২০ লাখ রুপি ব্যয়ে নির্মাণাধীন ওই ভবন ঘিরে শুরু হয় ঝামেলা।

ঘটনার তিনদিন আগে গ্রামে গুজব ছড়ায়, নাঈম সেখানে একটি অনুমোদনহীন মাদরাসা চালাচ্ছেন। তবে নাঈম এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভবনটি তখনো নির্মাণাধীন ছিল এবং সেখানে কোনো শ্রেণি কার্যক্রমই শুরু হয়নি।

অনুমতি না থাকার কথা উল্লেখ করে গত ১১ জানুয়ারি ভবনটি ভেঙে ফেলতে নাঈমকে নোটিশ দেয় গ্রাম পঞ্চায়েত। নাঈম জানান, তিনি এর আগেই গত ৩০ ডিসেম্বর রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরে নার্সারি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত একটি স্কুল চালুর অনুমতির জন্য আবেদন করেছিলেন এবং জমির সব কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, পঞ্চায়েতে গেলে তার আবেদন গ্রহণ না করে পরে আসতে বলা হয়।

গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ও ক্ষোভের মুখে গত ১২ জানুয়ারি পঞ্চায়েত দ্রুত একটি ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ বা এনওসি দেয়। গ্রামের সরপঞ্চ পরে জানান, গ্রামে কোনো মাদরাসা চালু থাকার বিষয়ে তারা কোনো অভিযোগ পাননি এবং অনুমতিও দেওয়া হয়েছিল। তবু ১৩ জানুয়ারি, গ্রামবাসী যখন জেলা সদর দপ্তরে কালেক্টরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, তখন প্রশাসন একটি জেসিবি মেশিন নিয়ে এসে স্কুল ভবনের একটি অংশ ও সামনের শেড ভেঙে ফেলে।

এই উচ্ছেদ অভিযানের তদারকি করেন ভৈনসদেহি সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট অজিত মারাভি। সঙ্গে ছিল বড় পুলিশ ও রাজস্ব বিভাগের দল। প্রশাসনের দাবি, নির্মাণটি অবৈধ ও দখলদারি শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমএন/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ