মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাওলানা যাইনুল আবিদীনের ‘লামাজহাবী: মুখ ও মুখোশ’ গ্রন্থের পাঠোন্মোচন রাতে চার দশক পর জাতিসংঘের সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ থানা থেকে লুট হওয়া সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত, শোক জানালেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী রোগীর মৃত্যু ঘিরে হাটহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উত্তেজনা, ভাঙচুর সৌদি আরবে হামলা নিয়ে হুথি কর্মকর্তার প্রশংসা মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি দেশে ৮,২২৯টি এমপিওভুক্ত মাদরাসা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আর ‘যথেষ্ট নয়’: কাতার ১০ মাসে হাফেজা হলেন ১৪ বছরের তানজিলা

পাক সেনাপ্রধানকে আজীবন দায়মুক্তি ইসলামি নীতির পরিপন্থী: মুফতী ত্বকী উসমানী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

পাকিস্তানের সাবেক বিচারপতি ও মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রখ্যাত আলেম মুফতী ত্বকী উসমানী পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরকে আজীবন দায়মুক্তি দেওয়ার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, বিচারিক জবাবদিহিতা থেকে কাউকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া ইসলামি নীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) এক জনসমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতী ত্বকী উসমানী বলেন, ইসলামে কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে রাখা হয়নি। শাসক, সামরিক নেতা কিংবা সাধারণ নাগরিক—সবাই নিজ নিজ কর্মকাণ্ডের জন্য সমানভাবে জবাবদিহির আওতায় থাকেন।

তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতাই একটি ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল ভিত্তি। ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জন্য স্থায়ী দায়মুক্তি শরিয়তের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী।

তিনি সতর্ক করে বলেন, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা ও সাধারণ জনগণের মধ্যে আইনি বৈষম্য তৈরি হলে তা জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন করে এবং সমাজে অবিচারকে উৎসাহিত করে। এ ধরনের বৈষম্য একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মুফতী ত্বকী উসমানী বলেন, রাজনৈতিক ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই ইসলামি মূল্যবোধ অনুসরণ করতে হবে—বিশেষ করে যেসব সিদ্ধান্ত শাসনব্যবস্থা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

মুফতী ত্বকী উসমানীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন পাকিস্তানে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত ক্ষমতা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিষয়টি জনসাধারণ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সমালোচকদের মতে, অতিরিক্ত সুরক্ষা ও দায়মুক্তি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসনকে দুর্বল করে দেয়।

সূত্র: আরিয়ানা নিউজ

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ