মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাটহাজারীর সিনিয়র মুহাদ্দিসের সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিনিধির সাক্ষাৎ সংসদে পাস হওয়া ‘শরিয়াবিরোধী’ বিল নিয়ে কে কী বললেন মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে যুক্ত করার আহ্বান রাশিয়ার কুমিল্লায় মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের বাস খাদে, আহত ২০ নতুন দুই দায়িত্ব পেলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে নয়াদিল্লির বার্তা আফগানিস্তানে আল-মারকাজুল ইসলামী মেডিকেল টিমের চিকিৎসাসেবা বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত মসজিদের ইমাম ও মাদরাসার শিক্ষক ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি অসুস্থ মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ হাদীকে দেখতে হাসপাতালে বিকেএম নেতৃবৃন্দ

গাজায় সৈন্য পাঠানোর আলোচনায় পাকিস্তান, আজারবাইজান ও ইন্দোনেশিয়া


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠিতব্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীতে কোন দেশগুলো অংশ নেবে তা নিয়ে চলছে আলোচনা। গণমাধ্যম দ্য পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় পাকিস্তান, আজারবাইজান ও ইন্দোনেশিয়ার সৈন্য পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে এক সক্রিয় ও এক সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, এ ৩ দেশই এখন পর্যন্ত শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক সম্মতি মিলেনি।

পলিটিকোর তথ্য মতে, ইন্দোনেশিয়া এ পর্যন্ত একমাত্র দেশ হিসেবে প্রকাশ্যে সৈন্য প্রেরণের প্রস্তাব জানিয়েছে; তারা বলেছেন, জাতিসংঘের অনুমোদনে শান্তিরক্ষা মিশনের আওতায় তারা প্রয়োজন হলে ২০ হাজার সেনা পাঠাতে প্রস্তুত। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে পরিকল্পনা উপস্থাপনা করেছেন, তাতে জাতিসংঘের সরাসরি কোনো ম্যান্ডেটের উল্লেখ নেই।

প্রতিবেনে আরও জানা যায়, কাতার, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সেনাও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে ইসরায়েলে একটি সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থান করে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে ভূমিকা নিতে পারে। তথ্যসূত্র না জানিয়ে পলিটিকো জানিয়েছে, এসব বাহিনীর মূল কাজ হবে গাজায় সংঘাত রোধ, ত্রাণবাহনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং পর্যবেক্ষণ—যদিও চূড়ান্ত ম্যান্ডেট নির্ধারণ বাকি।

উল্লেখ্য, গাজার দুই বছরের সংঘাতের পর সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। বিশ্বনেতারা যুদ্ধবিরতি স্থিতিশীল রাখার জন্য বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বাস্তবতায় কোন দেশগুলো কী ভূমিকা নেবে, তাদের ম্যান্ডেট কেমন হবে—এই প্রশ্নগুলোই এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ