সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমীরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২ হাজিদের কষ্ট লাঘবের আহ্বান রাষ্ট্রপতির, সৌদি রাষ্ট্রদূতের আশ্বাস আইন-শৃংখলা রক্ষায় ব্যর্থ সরকার, প্রতিদিন গড়ে ১০ খুন: গাজী আতাউর রহমান মেয়েদের উপবৃত্তি ফের চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কোরআন-হাদিসের আলোকে হাফেজদের সম্মান ও মর্যাদা রেনোর উপকণ্ঠে দাবানল, সতর্কতা জারি চীনের শ্রমবাজারে এআইয়ের দাপট, চাকরি হারানোর শঙ্কায় কর্মীরা নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি নিহত হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে ইরান-পাকিস্তান সংলাপের সম্ভাবনা

‘ক্ষমতা ধরে রাখতে জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানো হয়েছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে সাবেক সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নৃশংসতা চালিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশন বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামীলীগ সরকারের নৃশংসতা নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে হাইকমিশনার এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই নৃশংস প্রতিক্রিয়া ছিল সাবেক সরকারের একটি পরিকল্পিত এবং সমন্বিত ঘৃণ্য কৌশল। এর মাধ্যমে জনতার বিরোধিতার মুখে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চেয়েছিল। বিক্ষোভ দমন করার কৌশলের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জ্ঞাতসারে, তাদের সমন্বয় ও নির্দেশনায় শত শত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ব্যাপক নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও আটক এবং নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে।’

ভলকার তুর্ক বলেন, আমরা যে সাক্ষ্য এবং প্রমাণ সংগ্রহ করেছি তা ব্যাপক রাষ্ট্রীয় সহিংসতা এবং লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ডের এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর এবং যা আন্তর্জাতিক অপরাধও গঠন করতে পারে। জাতীয় নিরাময় এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য দায়বদ্ধতা এবং ন্যায়বিচার অপরিহার্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় সেপ্টেম্বর মাসে একটি দল প্রেরণ করে, যার মধ্যে মানবাধিকার অনুসন্ধানকারী, একজন ফরেনসিক চিকিৎসক এবং একজন অস্ত্র বিশেষজ্ঞ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যাতে মরণঘাতী ঘটনাগুলোর বিষয়ে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তথ্য অনুসন্ধান পরিচালনা করা হয়। 

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের জন্য এগিয়ে যাওয়ার সর্বোত্তম পথ হলো- একটি বিস্তারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই সময়ে সংঘটিত ভয়াবহ অন্যায়গুলোর সত্য উন্মোচন করা, নিরাময় এবং জবাবদিহিতার মুখোমুখি হওয়া, এবং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ধারাবাহিকতার প্রতিকার করা এবং এর আর কখনও যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটতে পারে তা নিশ্চিত করা।

আমার কার্যালয় এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় জবাবদিহিতা এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ভলকার তুর্ক।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ