বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলকে ইরানের হুঁশিয়ারি ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত মাদরাসার বেতন সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

যুদ্ধবিরতির প্রাক্কালে ইসরাইলি হামলা, গাজায় এক পরিবারের ৫ সদস্য নিহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতির সময় গণনার অপেক্ষায় ফিলিস্তিনিরা, তবে ইসরাইলি বাহিনী পুরো গাজা উপত্যকায় তাদের আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। খান ইউনিসে ইসরাইলি হামলায় এক পরিবারের পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছে। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রোববার সকালে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ফিলিস্তিনিরা তাদের ঘরে ফেরার আশা নিয়ে অপেক্ষা করলেও, ইসরাইলি হামলার ধারাবাহিকতায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে শিশু ও নারীরাও রয়েছে। গত ১৫ মাস ধরে গাজা জুড়ে ইসরাইলের নিরলস হামলার মধ্যে অসংখ্য মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে পড়েছে, যাদের অধিকাংশই অস্থায়ী তাঁবুতে মানবেতন জীবনযাপন করছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে ফিলিস্তিনিরা ঘরে ফেরার আশা করলেও, ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আজ রোববার স্থানীয় সময় ৮.৩০ মিনিট থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এরইমধ্যে জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির প্রক্রিয়া সফল করতে প্রস্তত।

আল জাজিরা জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা তাদের অবশিষ্ট সামান্য সম্পদ গুছিয়ে নিজেদের এলাকায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী সতর্ক করেছে যে, দক্ষিণ থেকে উত্তরের দিকে, বিশেষত নেটজারিম করিডোরের দিকে যাত্রা এখনও বিপজ্জনক।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর সতর্কতার মধ্যেও ঘরে ফেরার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের প্রস্তুত করছেন। যুদ্ধবিরতির আশায় তাদের এলাকায় ফিরে গিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন অনেকে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ