বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়ল প্যান্ডেল সমঝোতা চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখান যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে চাকরির বাজারে পতন, ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল চীনে শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক-হেলিকপ্টারে হামাসের হামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগ্রহিত

হামাসের সামরিক শাখা কাসেম ব্রিগেড জানিয়েছে, তারা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চারটি মারকেভা ট্যাঙ্ক এবং হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া জাবালিয়া এলাকায়ও হামলা চালানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

এক বিবৃতিতে কাসেম ব্রিগেড দাবি করেছে যে, তারা একটি ইসরায়েল হেলিকপ্টারের দিকে রকেট দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

এর আগে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসের কাছে একটি যানবাহনে হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়। 
বেশ কিছু ফুটেজ থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে, ইসরায়েলি বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এদিকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত দুদিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। সেখানে আরও তীব্র হামলা চালানো হচ্ছে। 
শুক্রবার ( ৩ জানুয়ারি ) কমপক্ষে ৭৩ ফিলিস্তিনি এবং বৃহস্পতিবার আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, গাজার ২৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৩৬টি ইসরায়েলি হামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে সেখানে ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে এবং বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। 
এক বছরের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৫ হাজার ৬৫৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ৮ হাজার ৫৮৩ জন।

এর আগে গাজার খান ইউনুসের কাছে আল-মাওয়াসি নামক এক তথাকথিত ‘মানবিক অঞ্চল’-এ ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

নিহতদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে ছিল। তাদের বয়স সাত থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। এই ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন। 
এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ বলেছে, শিশুদের জন্য এখন কোনো জায়গাই নিরাপদ নয়-না বোমা থেকে, না ঠান্ডা, রোগ বা ক্ষুধা থেকে। এই ধ্বংসযজ্ঞ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

বিনু/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ