বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়ল প্যান্ডেল সমঝোতা চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখান যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে চাকরির বাজারে পতন, ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল চীনে শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ইসরায়েলকে সতর্ক করে যা বললেন নাইম কাসেম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

লেবাননে বিমান ও স্থল হামলা এখনই বন্ধ না করলে ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় আরও রকেট হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছেন হিজবুল্লাহর ভারপ্রাপ্ত প্রধান নাইম কাসেম।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সরাসরি সম্প্রচারিত এক বক্তৃতায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন বলে জানায় আল জাজিরা।

বক্তৃতায় নাইম কাসেম বলেন, "আমি ইসরায়েলের সরকারকে সতর্ক করে বলছি আপনারা যদি এখনই লেবাননে হামলা না থামান তাহলে হিজবুল্লাহ আপনাদের শক্তিশালী ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাবে। আপনারা না থামলে হিজবুল্লাহও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে।"

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ইঙ্গিত করে কাসেম বলেন, হিজবুল্লাহ এখন কেবল "শত্রুকে আঘাত করার" দিকে মনোনিবেশ করছে। আপনারা হামলা চালিয়ে গেলে পরবর্তীতে আমরা ইসরায়েলের আরও দক্ষিণে হামলা চালাবো।

তিনি বলেন, আমরা লেবানন কিংবা ফিলিস্তিনকে বিশ্ব থেকে আলাদা করতে পারি না। তাই আপনারা হামলা অব্যাহত রাখলে আমরাও হামলা চালাবো।

এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত অবসানের একমাত্র সমাধান হচ্ছে যুদ্ধবিরতি বলেও জানান হিজবুল্লাহ প্রধান।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ নিহতের পর গত মাসের ২৭ সেপ্টেম্বর নাইম কাসেম গোষ্ঠীটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৩৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অসংখ্য। হামলায় দেশটি থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১২ লাখেরও বেশি বাসিন্দা। এদের মধ্যে ৪ লাখ শিশু।

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৪২ হাজার ২৮৯ জনে। আহত হয়েছেন ৯৮ হাজার ৬৮৪ জন। আর বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১৯ লাখ বাসিন্দা।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ